নাঙ্গলকোটে ভন্ড কবিরাজের প্রতারনার শিকার হাজার হাজার মানুষ

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে ভন্ড কবিরাজের প্রতারনার শিকার প্রায় অর্ধলক্ষ মানুষ । এ সব সাধারণ মানুষের কাছ থেকে যাদু, বান, টোনার কথা বলে ভয় দেখিয়ে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া যায়। এমনি একজন চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মুন্সিরহাট ইউনিয়নের জসিম উদ্দিন। সে দীর্ঘদিন যাবত পেটে ব্যাথায় ভোগতেছে। রোগের তাড়নায় সে আসে নাঙ্গলকোটে খাঁটাচৌ গ্রামের মাবুল হক কবিরাজের কাছে। কবিরাজ বলে আপনার বান আছে। এ বান কাটাতে হলে আমাকে ২০ হাজার টাকা দিতে হবে। জসিম উদ্দিন রোগের তাড়নায় কি করবে। জমি বন্ধক দিয়ে তাকে ২০ হাজার টাকা দেয়। কিন্তু রোগের কোন পরিবর্তন হয়নি। বাঙ্গড্ডা ইউপির হায়াতুন্নবী অভিযোগ করে বলেন। আমার বোনকে নিয়ে আসি এই কবিরাজের কাছে। সে বলে আপনার বোনকে আছরে ধরেছে। আছর তাড়াতে হলে আমাকে ৩০ হাজার টাকা দিতে হবে। হায়াতুন্নবী তার মায়ের স্বর্ণ বিক্রয় করে কবিরাজকে ৩০ হাজার দেয়। কিন্তু তার বোনের কোন রোগ ভালো হয়নি। এমনিভাবে প্রতিদিন শত শত রোগী তার কাছে আসে। নাম প্রকাশ না করা শর্তে কয়েকজন সচেতন মহলের ব্যক্তিরা বলেন। আপনারা সংবাদ প্রকাশ করলে প্রশাসনের উপকার হবে। তারা প্রতি মাসে ভন্ড কবিরাজ মাবুল হকের কাছ থেকে মোটা অংকের একটা এমাউন্ট পাবে।


সম্পাদনা: শামীম ইবনে মাজহার,নিউজরুম এডিটর

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।