রবিবার, অক্টোবর 24, 2021
রবিবার, অক্টোবর 24, 2021
রবিবার, অক্টোবর 24, 2021
spot_img
Homeজেলাপেকুয়া থানার ওসি’র বিরুদ্ধে চট্রগ্রামে চাঁদাবাজি মামলা

পেকুয়া থানার ওসি’র বিরুদ্ধে চট্রগ্রামে চাঁদাবাজি মামলা

পেকুয়া থানার ওসি’র চাঁদা দাবি এবং লোকজন দিয়ে অপহরণ করিয়ে মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগে কক্সবাজার জেলার পেকুয়া থানার ওসি মো.মঈন উদ্দিন এবং উপ-পরিদর্শক (এস আই) মো.মকবুল হোছাইনের বিরুদ্ধে চট্টগ্রামের একটি আদালতে মামলা দায়ের হয়েছে। একই মামলায় আরও ৭ জনকে আসামী করা হয়েছে। বৃহ¯পতিবার চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ এস এম মুজিবুর রহমানের আদালতে মামলাটি দায়ের করেছেন পেকুয়ার লবণ ব্যবসায়ী এবং নগরীর চান্দগাঁও ওমর আলী রোডের বাসিন্দা মো.রুস্তম আলী। নগরীর পূর্ব ষোলশহরে মেসার্স শাহীন ট্রেডার্স নামে তার একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানও আছে। মহানগর দায়রা জজ আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো.ফুয়াদ বাংলানিউজকে বলেন, আদালত মামলাটি গ্রহণ করে অনুসন্ধানের জন্য নগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-কমিশনারকে নির্দেশ দিয়েছেন। আগামী ২৭ অক্টোবর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় নির্ধারণ করেছেন আদালত। ওসি-এস আই ছাড়া বাকি সাত অভিযুক্ত হল, মো.জাহাঙ্গীর (৪৭), এরশাদুল মোস্তফা (৩৭), নেজাম উদ্দিন মানিক (৪৫), মো.মোজাম্মেল (৪৭), নূরুল আফছার (৩৮), মনজুর আলম (৪০) এবং নূরুল আজিম (৫০)। তারা সবাই পেকুয়ার মগনামা মঠকাভাঙ্গা এলাকার চাঁদাবাজ এবং পেকুয়া থানার ওসি’র ঘনিষ্ঠ লোক বলে মামলার আরজিতে উল্লেখ করা হয়েছে। বাদির আইনজীবী খালেদ মো.আবদুল্লাহ বাংলানিউজকে জানান, গত রমজানের সময় বাদি রুস্তম আলী পেকুয়া উপজেলার মগনামা বোর্ডিং পাড়ায় নিজ বাড়িতে গেলে ৪-৫ জন চাঁদাবাজ তার কাছে গিয়ে ওসি ও এস আই মকবুলের নির্দেশের কথা বলে পাঁচ ল টাকা চাঁদা দাবি করে। ঈদের খরচের জন্য পুলিশ এ টাকা দাবি করেছে বলে জানায়।রুস্তম টাকা দিতে অস্বীকার করায় গত ১১ আগস্ট সকাল ৭টার দিকে সাত অভিযুক্ত চাঁদাবাজ মিলে বাদিকে নগরীর চান্দগাঁও এলাকা থেকে মাইক্রোবাসে তুলে অপহরণ করে নিয়ে যায়। তারা তাকে পেকুয়ার সদর চৌমুহনী এলাকায় জাহাঙ্গীরের ঘরে নিয়ে আটকে রাখে। এসময় তারা আবারও ওসি এবং এস আই’র নির্দেশের কথা বলে পাঁচ ল টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। এক পর্যায়ে তারা ওসি ও এস আই মকবুলের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলে লাউড ¯িপকারে তা রুস্তমকে শোনায়। অ্যাডভোকেট খালেদ মো.আবদুল্লাহ বলেন রুস্তম আলী প্রাণভয়ে চারটি চেকে এবং দু’বান্ডিল নগদে মোট পাঁচ ল টাকা মুক্তিপণ দিয়ে ১২ আগস্ট ভোর ৩টা ৫ মিনিটে ছাড়া পান । মামলায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ (২) এবং দন্ডবিধির ১৬১, ৩৬৪, ৩৮৫, ৩৮৬/৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে পেকুয়া থানার ওসি মো.মঈন উদ্দিন তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, রুস্তম আলী নামে কোন লবণ ব্যবসায়ীকে আমি চিনিনা। এ ধরনের কোন ব্যক্তি সঙ্গে আমার কথা হয়েছে কিনা সেটাও আদৌ আমার মনে পড়ছেনা।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -spot_img

Most Popular

Recent Comments