রবিবার, অক্টোবর 24, 2021
রবিবার, অক্টোবর 24, 2021
রবিবার, অক্টোবর 24, 2021
spot_img
HomeUncategorized নির্বাচনকালীন সরকারের নতুন প্রস্তাব খালেদার

নির্বাচনকালীন সরকারের নতুন প্রস্তাব খালেদার

নির্বাচনকালীন সরকারের নতুন প্রস্তাব দিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।

প্রস্তাব অনুযায়ী, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ২০ উপদেষ্টা থেকে দুদল পাঁচজন করে ১০ জনের নাম প্রস্তাব করবে। পরে দুদল ঐকমত্যের ভিত্তিতে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য একজন সম্মানিত নাগরিককে এই অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান করবে।  এছাড়া প্রয়োজন হলে, রাষ্ট্রপতি ও স্পিকার এবং সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত করার পদ্ধতিতে বর্তমান সংসদ ভেঙে দেয়ার আগে এই অন্তর্বর্তী সরকারকে নির্বাচিত করে দেয়া যেতে পারে।

বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, ‘গণতন্ত্রের জন্য শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরের কোনো বিকল্প নেই। আমি মনে করি, দেশের গণতন্ত্র ও স্থিতিশীলতার স্বার্থে প্রধানমন্ত্রী আমার এই আহ্বানে সাড়া দেবেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।’

সোমবার বিকেল সোয়া ৪টায় রাজধানীর ওয়েস্টিন হোটেলে এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী সর্বদলীয় সরকারের প্রস্তাব দিয়েছেন। কিন্তু ওই সরকারের প্রধান কে হবে তা খোলাসা করেননি। তাই নাগরিকদের ধারণা, তিনি সংসদ বহাল রেখে নিজের হাতেই ক্ষমতা রেখে নির্বাচন করতে চান।’

খালেদা জিয়া বলেছেন, ‘আমরা বারবার আশা করেছি- সরকার দেশের জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতি সম্মান দেখাবে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রত্যাশার অনুকূলে সিদ্ধান্ত নেবে। কিন্তু বিরোধী দলের প্রতি তাদের আচরণ সবাইকে হতাশ করেছে।’

তিনি বলেন, নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে স্পষ্ট কোনো বক্তব্য না থাকায় জাতির উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ভাষণ রাজনীতিক, সচেতন মহল এবং জনগণকে হতাশ করেছে।

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, বিচারবিভাগে সরকারের নগ্ন হস্তক্ষেপ ও দলীয়করণে সাধারণ মানুষ ন্যায়বিচার বঞ্চিত হচ্ছে। আইনের শাসন সুদূর পরাহত।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, পুলিশ বাহিনীকে সংকীর্ণ দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করা হচ্ছে।

প্রতিহিংসার রাজনীতি না করার ঘোষণা দিয়ে খালেদা জিয়া বলেন, ‘যারা আমার ওপর এবং আমার পরিবারের ওপর নানাভাবে অন্যায় আক্রমণ চালিয়েছেন এমনকি এখনো করছেন, তাদের আমি ক্ষমা করে দিলাম। আমি কোনো প্রতিশোধ নেবো না।’

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আর এ গনি, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, এমকে আনোয়ার, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, বেগম সারোয়ারি রহমান, লে. জেনারেল  (অব.) মাহবুবুর রহমান, মির্জা আব্বাস, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, বি. জেনারেল (অব.) আ স ম হান্নান শাহ, নজরুল ইসলাম খান, ভাইস-চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীরপ্রতিক, সেলিমা রহমান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মীর নাসির, ড. ওসমান ফারুক, অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, এনাম আহমেদ চৌধুরী, সাবিহউদ্দিন আহমেদ, খন্দকার মাহবুব হোসেন, আবদুল আওয়াল মিন্টু, আহমেদ আজম খান, যুগ্ম  মহাসচিব আমান উল্লাহ আমান, সালাহউদ্দিন আহমেদ, প্রচার সম্পাদক জয়নুল আবদিন ফারুক প্রমুখ।

১৮ দলীয় জোট নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জামায়াত ইসলামীর সিনিয়র নায়েবে আমির একেএম নাজির আহমেদ, এলডিপির কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ, ইসলামী ঐক্যজোটের আবদুল লতিফ নেজামী, বিজেপির আন্দালিব রহমান পার্থ, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মুহাম্মদ ইব্রাহিম বীরপ্রতীক, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, ন্যাপ ভাসানীর জেবেল আর গানি, ইসলামিক পার্টির আবদুল মুবিন, এনডিপির গোলাম মোর্তুজা, এনপিপির শেখ শওকত হোসেন নিলু প্রমুখ।

এছাড়া অন্যদের উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সাংবাদিক ড. মাহফুজ উল্লাহ, শফিক রেহমান, ছড়াকার আবু সালেহ প্রমুখ।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -spot_img

Most Popular

Recent Comments