মিশরে দ্বিতীয় দিনের মতো গণভোট চলছে , নিহত ১১

মিশরে নতুন সংবিধান পাশ করতে দ্বিতীয় দিনের মতো গণভোট চলছে। মঙ্গলবার দুই দিনব্যাপী শুরু হওয়া এই গণভোটের প্রথমদিনে সহিংসতায় মিশরজুড়ে নিহত হয়েছেন অন্তত ১১ জন।

মুসলিম ব্রাদারহুডসহ বেশকিছু রাজনৈতিক দল ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে। মিশরজুড়ে মোতায়েন করা হয়েছে অন্তত সাড়ে তিন লাখ নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য।

২০১৩ সালের জুলাইতে সেনাবাহিনী মিশরের একমাত্র নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসিকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর নতুন সংবিধান প্রণয়নের জন্য প্রথমবারের মতো গণভোট নেয়া হচ্ছে।

ব্রাদারহুডসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলো মনে করছে নতুন সংবিধানের মাধ্যমে সাবেক প্রেসিডেন্ট হোসনি মুবারক আমলের আইন পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হবে।

মিশরের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমগুলোতে প্রতিটি কেন্দ্রে ব্যাপক ভোটার সমাগম হওয়ার দাবি করা হচ্ছে। তবে অনেক ভোটারই আছেন যারা ভোট দিতে যাননি। আহমেদ রাওয়ান(২৩) বলেন, “আমি ভোট দিতে যাইনি। কারণ আমি জানি, এতে আমার মতের কোনো প্রতিফলন ঘটবে না।”

নতুন সংবিধানে যে আইনগুলো থাকছে সেগুলো হলো, প্রেসিডেন্ট চার বছর মেয়াদে সর্বোচ্চ দুইবার ক্ষমতায় বসতে পারবেন, রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম থাকলেও যেকোনো আদর্শকে সমান অধিকার দেয়া হবে, রাষ্ট্রীয়ভাবে নারী-পুরুষ সমান অধিকার পাবে, ধর্মভিত্তিক এবং সীমানাভিত্তিক কোনো রাজনৈতিক দল গঠন করা যাবে না, পরবর্তী আট বছরের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব থাকবে সেনাবাহিনীর হাতে।

‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে ঘোষণা দেয়ার পর মুসলিম ব্রাদারহুডকে নির্বাচনে অংশ নিতে দেয়নি মিশরের সেনা সমর্থিত অন্তবর্তী সরকার। সূত্র: বিবিসি, আলজাজিরা

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।