দেশের প্রায় দুই কোটি শিশুকে খাওয়ানো হচ্ছে ভিটামিন-এ ক্যাপসুল

শনিবার দেশের প্রায় দুই কোটি শিশুকে খাওয়ানো হচ্ছে ভিটামিন-এ ক্যাপসুল। তবে শূন্য থেকে ছয় মাস বয়সী শিশুরা এর আওতায় আসবে না। যেসব শিশু গত চার মাসের মধ্যে অভিভাবকদের ইচ্ছায় উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ভিটামিন খেয়েছে সেসব শিশুকেও খাওয়ানো হবে না।

প্রসঙ্গত ভিটামিন-এ ভিটামিন ক্যাম্পেইন নিয়ে গত বছর পুরো দেশেই হই চই পড়ে। বিভিন্ন স্থানে শিশুরা ভিটামিন খাওয়ার পর অসুস্থ হয়ে যায় বলে খবর আসে। কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে এসব খবরকে ভিত্তিহীন ও অমূলক হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।

চিকিৎসকরা জানান, ভিটামিন-এ শিশুদের বেড়ে ওঠার জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। এই ভিটামিন শিশুদের চোখের দৃষ্টি শক্তি বাড়ায়, চোখের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে সহায়তা করে, রোগ সংক্রমণ থেকে চোখকে রক্ষা করে।

এ ছাড়া ভিটামিন-এ রক্তস্বল্পতা থেকেও রক্ষা করে থাকে। শিশুর বেড়ে ওঠার জন্য অতিপ্রয়োজনীয় ভিটামিন-এ শিশুমৃত্যু কমায় ২৪ শতাংশ, মিজলসে (হাম) মৃত্যু রোধ করে ৫০ শতাংশ, ডায়রিয়ার কারণে মৃত্যু কমিয়ে থাকে ৩৩ শতাংশ। এ ছাড়া ভিটামিন-এ’র অভাবে শিশুদের রাতকানা, হাম, দীর্ঘমেয়াদি ডায়রিয়া ও মারাত্মক অপুষ্টির কারণে নানা ধরনের রোগ হয়ে থাকে।

বাংলাদেশের শিশুরা উদ্ভিজ্জ উৎস থেকে ভিটামিন-এ পেয়ে থাকে বলে শরীরে পরিমাণে কম যায়। ফলে শিশুরা ভিটামিন-এ জনিত নানা রোগে ভুগে থাকে। এ সমস্যা দূর করতেই বছরে দু’বার করে ভিটামিন-এ ক্যাম্পেইন করে থাকে সরকার।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।