জানা-অজানা——— রক্তফোঁটা থেকে ইদুঁরের ক্লোন

জাপানের বিজ্ঞানিরা এক ফোঁটা রক্ত থেকে ইঁদুরের ক্লোন জন্মাতে সক্ষম হয়েছেন। এই কোন সৃষ্টিতে ব্যবহার করা হয়েছে অপর একটি ইঁদুরের লেজের সনচালিত রক্তকোষ থেকে। রাইকেল বায়ো রিসার্চ সেন্টার সম্প্রতি মার্কিন জার্নাল বায়োলজি অব রিপ্রোডাকশন এ এই তথ্য প্রকাশ করে।

 

লিংকেদ ইনষ্টিউটের বিজ্ঞানিরা সম্প্রতি একটি ইদুঁরের প্রায় ৬০০ টি জেনেটিভ কপি সৃষ্টি করেছে। দাতা ইঁদুরের বিভিন্ন উৎস থেকেই ক্লোন করা সম্ভব,যেমন লিমফ গ্লান্ড,অস্তিমজ্জা, লিভারের ম্বেত কণিকা কোনের জন্য ব্যবহৃত হতে পারে।

 

জাপানি এই গবেষক দলটি এবার সনচালিত রক্তকোষ থেকে কোনিং সম্ভব কিনা সে বিষয়ে গবেষনা করেন। তাদের এই গবেষনার উদ্দেশ্য ছিল দাতা কোষ থেকে সহজলভ্য কোনো উৎস খুঁজে বের করা যা গবেষনাগারে ব্যবহৃত বিভিন্ন দুলর্ভ প্রজাতির ইঁদুর রায় কাজে লাগবে।

 

গবেষকরা জানিয়েছেন,কোন প্রক্রিয়ায় জন্মানো মেয়ে ইদুরটি স্বাভাবিক জীবনকাল পার করেছে। এবং স্বাভাবিক বাচ্চা প্রসব করেছে। আটসৌ অগুরার নেতৃত্বে রাইকেন বায়ো রির্সাচ সেন্টারের দলটি দাতা ইঁদুরের লেজ থেকে রক্ত সংগ্রহ করে এ থেকে শ্বেত রক্তকণিকা পৃথক করে ফেলে এবং কোনিং পরীা করার জন্য নিউকিয়াস এ প্রয়োগ করেন।

 

ঠিক একই পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়েছিল এডিনবার্গে ডলি নামের ভেড়ার ওপরে। কোনিং প্রতিটি দৈহিক কোষের নিউকিয়ার প্রতিস্থাপন,যেখানে রক্ত বা চর্মকোষের মতো পরিপূরক দেহকোষ থেকে নিউকিয়াসকে অপর আরেকটি অনুর্বর কোষে প্রতিস্থাপন করা হয়।

 

যার নিউকিয়াস আগেই অপসারন করা হয়েছে। গবেষকরা জানান,এই কোষসমূহ সংগ্রহের পর তাৎনিকভাবে কোনিংয়ের জন্য ব্যবহার করা যায় এবং কোনো দাতা প্রাণীর যন্ত্রণাহীন মৃত্যুঘটে না। এইপদ্ধতিতে ক্লোনিং বেশ কাযর্কর এবং মাত্র এক ফোটাঁ রক্ত থেকে পর্যাপ্ত সংখ্যক ক্লোনিং  করা সম্ভব। এর ফলে দুলর্ভ কোনো প্রজাতির বিস্তার সুরতি হবে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।