রাজধানীর ভিক্ষুক তাড়াতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সিদ্ধান্ত : সমাজকল্যাণমন্ত্রী

রাজধানী ঢাকা ভিক্ষুকমুক্ত করতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার জন্য সরকারি সিদ্ধান্ত প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী সৈয়দ মহসিন আলী। তিনি বলেছেন, বিষয়টি স্পর্শকাতর। তাই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার জন্য মন্ত্রিসভার অনুমোদনের মাধ্যমে পরবর্তী কার্যলক্রম নেয়া হবে। রোববার দশম জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনে ঢাকা-১৬ আসনের সংসদ সদস্য ইলিয়াছ উদ্দিন মোল্লার এক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান মন্ত্রী।

 
সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, “ঢাকা শহর ভিক্ষুকমুক্ত করার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসন ও বিকল্প কর্মসংস্থান শীর্ষক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এর আওতায় ২০১১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পাইলটিং হিসেবে ঢাকা মহানগরীর ১০টি এলাকায় ১০ হাজার ভিক্ষুকের ওপর জরিপ চালানো হয়। তাদের মধ্য থেকে ময়মনসিংহ জেলার ৩৭ জন ও জামালপুর জেলার ২৯ জনকে রিকশা, ভ্যান ও ক্ষুদ্র ব্যবসার পুঁজি বিতরণের মধ্য দিয়ে পুনর্বাসন করা হয়েছে।”

 

মন্ত্রী জানান, ওই পাইলট কর্মসূচির অভিজ্ঞতায় ঢাকা শহর ভিক্ষুকমুক্ত করার লক্ষ্যে বিদেশী অভ্যাগতদের চলাচল বেশি যেসব এলাকায়; যেমন বিমানবন্দর, হোটেল সোনারগাঁও, হোটেল রূপসী বাংলা, হোটেল রেডিসন, বেইলি রোড, কূটনৈতিক জোন ও দূতাবাস এলাকাগুলো প্রাথমিকভাবে ভিক্ষুকমুক্ত হিসেবে ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এসব এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সরকারি সিদ্ধান্ত প্রয়োজন। বিষয়টি স্পর্শকাতর বিবেচনায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার জন্য মন্ত্রিসভার অনুমোদনের মাধ্যমে পরবর্তী কার্য্ক্রম নেয়া হবে।

 

চট্টগ্রাম-১১ আসনের সংসদ সদস্য এম আবদুল লতিফের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সমাজসেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে সারা দেশে ৮৫টি সরকারি শিশু পরিবার (সরকারি এতিমখানা) পরিচালিত হচ্ছে। এ ছাড়া সমাজসেবা অধিদপ্তরের নিবন্ধিত বেসরকারি এতিমখানা পাঁচ হাজার ৩৩৯টি।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।