রবিবার, জানুয়ারী 23, 2022
রবিবার, জানুয়ারী 23, 2022
রবিবার, জানুয়ারী 23, 2022
spot_img
Homeজেলারাজধানীতে ট্রাফিক কনস্টেবলকে পেটাল ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা

রাজধানীতে ট্রাফিক কনস্টেবলকে পেটাল ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা

ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি বদিউজ্জামান সোহাগের কর্মী-সমর্থকরা রাজধানীর জিরো পয়েন্ট ট্রাফিক কনস্টেবলকে পিটিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুক্রবার বিকেলে সাড়ে ৩টার দিকে পল্টন জিপিও সিগন্যাল মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতাল ভর্তি করা হয়।

 

কনস্টেবল মামুন মুঠোফোনে সাংবাদিকদের জানান, আমি তাদের কিছুই বলিনি। আমাকে সিগন্যাল ওভারটেক করে তাদের গাড়িগুলো পার করে দিতে বলে। মাত্র সিগন্যাল ছাড়ছি একটু দাঁড়ান, আমি পার করে দিচ্ছি বলতেই পিছন থেকে ১০-১৫ জন লোক আমার মাথায় কিল ঘুষি দিতে থাকে। আমি রাস্তায় লুটে পড়লে পিঠে ও কোমরে লাথি মারে। আমি এখন রাজারবাগ হাসপাতালের চাঁর তলায় ১নং ওয়ার্ডে ভর্তি আছি।

 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সিগন্যাল ওভারটেক করে একটি মাইক্রোবাস ক্রসিং পার হতে চাইলে দায়িত্বরত ট্রাফিক কনস্টেবল গাড়িটিকে আটকায়। কিন্তু তিনি জানতেন না গাড়ির ভেতরে ছিলেন ছাত্রলীগের সভাপতি বদিউজ্জামান সোহাগ। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ট্রাফিক কনস্টেবল আশিক ও নিরঞ্জন জানান, আহত ট্রাফিক কনস্টেবল মামুনকে রাজারবাগ পুলিশ লাইন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ সময় মামুনের সঙ্গে নিরঞ্জনও দায়িত্বরত ছিলেন।

 

তিনি বলেন, একটি মাইক্রোবাস সিগন্যাল ওভারটেক করে যাওয়ার চেষ্টা করলে মামুন মাইক্রোবাসটি আটক করেন। এর ফলে গাড়ির পেছনে থাকা ১০-১৫টি মটরসাইকেল আরোহীরা তাকে মারধর করতে থাকে। পরে তিনিসহ সেখানে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা এগিয়ে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ সময় জিপিও মোড়ের সিগন্যালের দায়িত্বে ছিলেন সার্জেন্ট আশিক।

 

ঘটনার ২০ মিনিট পর জিপিও সিগন্যালে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে ট্রাফিক পুলিশসহ পুলিশের কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা অবস্থান করেছেন। এ সময় এ ঘটনায় তাদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা যায় এবং এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায়।

 

ঘটনার সময় উপস্থিত থাকা ছাত্রলীগের এক সাবেক নেতা বলেন, সিগন্যাল ওভারটেক করে ছাত্রলীগ সভাপতি সোহাগের মাইক্রোবাসটি অতিক্রম করতে গেলে ট্রাফিক কনস্টেবল গাড়িটিকে আটকিয়ে দেয়। এ সময় মটরসাইকেলে থাকা ছাত্রলীগের অন্য নেতা-কর্মীরা কিছু বুঝে ওঠার আগেই ওই কনস্টেবলকে মারধর করতে থাকে। এ ঘটনায় পুলিশ একজনকে ধরে পিক-আপ ভ্যানে ওঠাতে গেলে সোহাগ গাড়ি থেকে নেমে ওই কর্মীকে ছাড়িয়ে নেন।
RELATED ARTICLES
- Advertisment -spot_img

Most Popular

Recent Comments