শনিবার, অক্টোবর 16, 2021
শনিবার, অক্টোবর 16, 2021
শনিবার, অক্টোবর 16, 2021
spot_img
Homeউপজেলাকক্সবাজারের কলাতলীতে বহু অপকর্মের হোতা মুখোশধারি হাসান ফকির বেপরোয়া

কক্সবাজারের কলাতলীতে বহু অপকর্মের হোতা মুখোশধারি হাসান ফকির বেপরোয়া

কলাতলীর হাসান আলী ফকির মেম্বারের বিরুদ্ধে হরেক রকম অপরাধের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুমিদস্যুতা থেকে শুরু করে সরকারী প্রকল্প টি.আর, কাবিখা, কাবিটা, ভিজিএফ চাল ও রাস্তা মেরামতের নামে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে অর্থ বরাদ্দ নিয়ে সরকারি টাকা লোপাটের অভিযোগও রয়েছে। শুধু তাই নয় এলাকার বিচার শালিশের নামে চালিয়ে আসছে মোটা অংকের ঘুষ বাণিজ্য।

 

এ ছাড়া এলাকায় মানব পাচারকারী ও সন্ত্রাসি লালন করে আসছে বলে অভিযোগ রয়েছে উক্ত মুখোশধারী  মেম্বারের বিরুদ্ধে । তার ছত্র ছায়ায় হরেক রকমের অপরাধীদের বসবাস কলাতলীর চন্দ্রিমা ও ঝরঝরি কুয়া এলাকার পাহাড়ে। তা ছাড়াও এসব কাজে ব্যবহার করে যাচ্ছে তার গুনধর পুত্র আব্দুল্লাহ মিঠুন প্রকাশ টুকাই মিঠুন ও আব্দুল হামিদ প্রকাশ দস্যু হামিদ। তার এই গুনধর পুত্র ও নিজের বিভিন্ন অপরাধ ডাকতে মেম্বার পরিচয় দিয়ে প্রসাশনের বিভিন্ন দপ্তরে দৌড় ঝাঁপ শুরু করে দেয়।

 

এ দিকে প্রসাশনকে ভুল বুঝিয়ে নিজেকে সমাজ সেবক পরিচয় দিয়ে সহজে এসব অপকর্ম থেকে পার পেয়ে যাচ্ছে মুখোশধারী এই হোতা। বিভিন্ন অপরাধ করে পার পাওয়ায় নির্ভয়ে অপরাধের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দেয় তার সাঙ্গ পঙ্গরা। গোপন সুত্রে জানাযায়, সমাজ সেবকের লেবাস ধরে এই মুখোশধারি ভুমিদস্যু রাতের অন্ধকারে অস্ত্র মহড়া দিয়ে সন্ত্রাসি পাহারায় নির্বিচারে পাহাড় নিধন করে আসছে। এমন কি এই ভুমিদস্যু মুখোশধারি হাসান ফকিরের হাত থেকে রা পায়নি কবরস্থান, বাস্তুহারা অসহায় মানুষের ভিটা বাড়ি ও সরকারি বন ভুমি। এসব অপকর্ম, ভুমিদস্যুতা ও সরকারি পাহাড় কেটে পরিবেশ বিনষ্টের দায়ে তাদের বিরুদ্ধে কক্সবাজার পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক সরদার শরিফুল ইসলাম বাদী হয়ে পরিবেশ আইনে মামলা দায়ের করেন।

 
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এলাকার কিছু মানুষ জানান, বিচারের নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে নীরব চাঁদাবাজি করে আসছে সমাজ সেবক নামের এই মুখোশধারি হাসান ফকির। এ ছাড়াও বিচারের নাম দিয়ে নারীদের গোপনে দেখা করার অভিযোগ করে বলেন বৃদ্ধ বয়সেও তার এসব অপকর্ম থেমে নেই।

 
এ ব্যাপারে মেম্বার হাসান আলী ফকিরের সাথে তার ব্যবহৃত মোবাই ফোনে যোগাযোগ করা হলে, তিনি সাংবাদিক পরিচয় পাওয়া পর এসব বিষয়ে কথা বলতে রাজি নন এবং কাজের ব্যস্থতা দেখিয়ে মোবাইল ফোনের লাইন কেটে দেন।
এ ব্যপারে এলাকার সাধারণ মানুষ সংশ্লিষ্ট প্রসাশন, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, দোদক ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার জরুরি হস্থপে কামনা করেন।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -spot_img

Most Popular

Recent Comments