রবিবার, অক্টোবর 24, 2021
রবিবার, অক্টোবর 24, 2021
রবিবার, অক্টোবর 24, 2021
spot_img
Homeউপজেলা‘পুলিশের আচরণ পাকিস্তানী হানাদারের চেয়েও জঘন্য, তারা হায়েনা’

‘পুলিশের আচরণ পাকিস্তানী হানাদারের চেয়েও জঘন্য, তারা হায়েনা’

পুলিশের আচরণ পাকিস্তানী হানাদারের চেয়েও জঘন্য, তারা হায়েনা। যারা ওইদিন (১৮ জুলাই) গুলি চালিয়েছিল তারা পুলিশ হতে পারে না, তারা হায়েনা! এসব হায়েনা থাকলে দেশ ধ্বংস হবে। সুতরাং এদের বিরুদ্ধে যা-যা করার তা করতেই হবে। কথা গুলো বলছিলেন কক্সবাজার পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি মুজিবুর রহমান চেয়ারম্যান।

 
গত ১৮ জুলাই কক্সবাজার শহরে পুলিশের গুলিতে পৌর আ’লীগের সভাপতি মুজিব চেয়ারম্যানসহ ১০ জন আহতের ঘটনায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কক্সবাজার পৌর শাখা কর্তৃক আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। কক্সবাজার পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মুজিবুর রহমান চেয়ারম্যানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন, কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগ ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এডভোকেট এ.কে আহমদ হোসেন।

 
সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি জানান, আমরা পুলিশ সুপার বা ওসির অপসারণ চাচ্ছি না। অনাকাংখিত এ ঘটনায় পুলিশ যা করেছে তা বেআইনি। স্বয়ং এঘটনায় চট্টগ্রামের এডিশনাল ডিআইজি, কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও কক্সবাজার সদর মডেল থানা ওসি দু:খ প্রকাশ করেছেন।
তিনি আরো বলেন, সংগঠিত ঘটনায় পুলিশ বিভাগ দায় এড়াতে পারে না। কিন্তু ১৮ জুলাইয়ের ঘটনায় ঢাকা-চট্টগ্রামের কয়েকটি পত্রিকায় যে সমস্ত ওলট-পালট সংবাদ এসেছে তা দু:খজনক।

 
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যদের মাঝে আরোও উপস্থিত ছিলেন, কক্সবাজার শহর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি নজিবুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক উজ্জল করসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

 
ঘটনায় জড়িত রয়েছে অভিযোগ এনে ১৪ পুলিশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: কক্সবাজারে জনৈক ছাত্রলীগ কর্মীকে মোটর সাইকেলসহ আটকের জের ধরে সংগঠিত  ঘটনায় কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি আলী আহমদকে নাজেহাল-মারধর পরবর্তি পুলিশের গুলিতে কক্সবাজার শহর আওয়ামী লীগ সভাপতি মুজিবুর রহমান চেয়ারম্যান গুলিবিদ্ধের ঘটনায় কক্সবাজার সদর মডেল থানার ৩ জন উপ-পরিদর্শক (এসআই) ও এক কনস্টেবল’কে প্রত্যাহার করা হয়েছে। একই সঙ্গে এক উপ-পরিদর্শক (এসআই) ও ১০ কনস্টেবলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

 

গত রোববার বেলা পৌনে ৩টার দিকে কক্সবাজারের পুলিশ সুপার মো. আজাদ মিয়া এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, গত শুক্রবার ছাত্রলীগের সাথে সংঘটিত ঘটনায় পুলিশের পে গুলি বর্ষণের কোন প্রকার অনুমতি প্রদান করা হয়নি। অনুমতি ছাড়া গুলি বর্ষণের ঘটনায় প্রাথমিক ভাবে দায়ি এ ১৪ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন দাখিলের পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 
পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, প্রত্যাহার হওয়া ৩ জন উপ-পরিদর্শক (এসআই) হলেন মোস্তফা কামাল, তাজুল ইসলাম ও আল আমিন। প্রত্যাহার হওয়া কনস্টেবল হলেন, সাজ্জাদুল ইসলাম। সাময়িক বরখাস্ত উপ-পরিদর্শক (এসআই) হলেন উত্তম কুমার দে।

 
সাময়িক বরখাস্ত ১০ জন কনস্টেবল হলেন, সুজন কান্তি নাথ, মো. শামিমুল এহসান, নুরুল আলম, আবুল কামাল আজাদ, আবদুর রউফ, রাসেল ভুঁইয়া, হাসান শরীফ, সালা উদ্দিন মোল্লা, মিথুন দাশ ও কামরুল ইসলাম।

 
এব্যাপারে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. রুহুল আমিন জানিয়েছেন, কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আবুল হোসেন তদন্ত পূর্বক দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল পরবর্তী দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -spot_img

Most Popular

Recent Comments