শুক্রবার, অক্টোবর 22, 2021
শুক্রবার, অক্টোবর 22, 2021
শুক্রবার, অক্টোবর 22, 2021
spot_img
Homeউপজেলাপাখি’তে সয়লাব পরশুরাম

পাখি’তে সয়লাব পরশুরাম

পরশুরামের হাট-বাজার গুলোতে  ছড়িয়ে পড়েছে কলকাতার টিভি সিরিয়াল‘বোঝে না সে বোঝে না’র অভিনেত্রী কুমারী পাখি ঘোষ দস্তিদারের নামের পাখি পোশাক ।ঈদের বাজার  দখল করে রেখেছে পাখি পোশাক।

 
জানা গেছে,ভারত সীমান্তবর্তী পরশুরাম উপজেলার বিাভন্ন সীমান্ত পথে আসছে পাখি পোশাক। হাট-বাজারের কাপড় দোকানগুলো যেন শুধু এই পোশাক বিক্রির এজেন্সী নিয়েছে।

 

এ পোশাকটি বাংলাদেশে তৈরি করলেও  ভারত থেকে সীমান্তের চোরাপথে এটি বাংলাদেশে প্রবেশ করছে। উপজেলার সত্যনগর, বিলোনীয়া,মধুগ্রাম সীমান্ত দিয়ে এসব পোশাক আসছে।

 

৮শ টাকা থেকে শুরু করে সাড়ে ৪ হাজার টাকা পর্যন্ত এগুলো বিক্রি হচ্ছে।তবে ব্যবসায়ীরা ভারত থেকে  থেকে এগুলো আনার কথা অস্বীকার করেছেন।জামান মার্কেটের এক ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন,বেশীর ভাগ পোশাক ঢাকা থেকে আসে।সীমান্ত দিয়েও আসছে।তবে সীমান্ত দিয়ে আসা পোশাকের দাম অনেকটাই কম।

 
বিজিবি’র সূত্র মতে,পরশুরামের বিভিন্ন সীমান্ত থেকে গত ৬ মাসে প্রায় ১ কোটি ২০লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি থ্রীপিস আটক করে বিজিবি।আটক হওয়া এসব থ্রীপিসের মধ্যে পাখি ব্র্যান্ডের থ্রিপিস রয়েছে বেশী। এসব পোশাকের সামনে দেশী পোশাক মুল্যহীন।নিন্মমানের কাপড় দিয়ে হলেও এগুলো বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে।

 
পরশুরাম বাজার ব্যবসায়ী সমিতির তথ্য অনুযায়ী,উপজেলারপরশুরাম সদরের বাজার, সুবার    বাজার,রাজষপুর,ধনীকুন্ডা,শালধর,বকসমাহমুদ,খন্ডল হাই,গুথুমা বাজারে প্রায় ২০০টি কাপড় দোকান রয়েছে।সরেজমিন পরশুরাম কাজী শপিং কমপ্লেক্স,জামান প্লাজাসহ বিভিন্ন মার্কেটের  কয়েকটি দোকান  পরিদর্শনে জানা গেছে,কাপড় দোকান গুলোতে পাখি ছাড়া মেয়েদের অন্য কোন জামা নেই।ক্রেতাদের চাহিদার মধ্যেও পাখি ছাড়া কিছু নেই।

 
পরশুরাম সরকারী কলেজের ইন্টার ২য় বর্ষের  শিক্ষার্থী নাজমুন লায়লা জানান, আমি ও আমার ছোট বোনের জন্য ২২০০ টাকা করে ২ টি  পাখি থ্রিপিস কিনেছি। সবাই কিনছে তাই আমরাও নিয়েছি।এসএ শপিং কমপ্লেক্সের হাসান ফ্যাশনের সত্বাধিকারী মো.হাসান জানান,

 

৫বছরের মেয়ে থেকে শুরু করে মহিলারা পর্যন্ত পাখি থ্রিপিস খুঁজছে।তাই এবার পাখি  থ্রিপিস এনেছি।স্কুল,কলেজ ওমাদ্রাসা পড়–য়া ছাত্রীরা নিজেকে ‘বোঝে না সে  বোঝে না’র পাখি সাজানোর জন্য এ পোশাকের প্রতি আগ্রহী হয়ে পড়েছে।

 

দেশী পোশাক গুলো অনেক মানসম্পন্ন হলেও কলকাতায় মাসের পর মাস চলতে থাকা এসব বাংলা  সিরিয়ালের ভক্ত হয়ে পড়েছে বাংলাদেশের তরুনীরা। ফলে তাদেও কাছে পোশাকটি মূখ্য নয়।মূখ্য তাদের কাছে পাখি চরিত্রের পোশাকটি। ঈদের আর মাত্র কয়েকদিন বাকি।বাজারে পোশাকের টান পড়লেই সীমান্ত দিয়ে আসছে পাখি পোশাক।

 
বিজিবি’র শ্রীপুর কোম্পানী কমান্ডার সুবেদার গোলাম মোস্তফা সীমান্তে থ্রী পিস চোরাচালানের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,সকল ধরনের চোরাচালানের বিরুদ্ধে বিজিবি’র সতর্ক অবস্থান রয়েছে।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -spot_img

Most Popular

Recent Comments