শনিবার, অক্টোবর 16, 2021
শনিবার, অক্টোবর 16, 2021
শনিবার, অক্টোবর 16, 2021
spot_img
Homeকক্সবাজারমহেশখালীতে বনবিভাগের যোগসাজসে স-মিলে প্রতিনিয়ত হাজার ঘনফুট কাঠ চিরাই হচ্ছে

মহেশখালীতে বনবিভাগের যোগসাজসে স-মিলে প্রতিনিয়ত হাজার ঘনফুট কাঠ চিরাই হচ্ছে

মহেশখালীতে বনবিভাগের যোগসাজসে স-মিলে প্রতিনিয়ত হাজার ঘনফুট কাঠ চিরাই হচ্ছে যারফলে বনাঞ্চল ধ্বংস হচ্ছে তাই পরিবেশ হুমকীর মুখে চলে যাচ্ছে। স্থাপিত ২৪ করাতকল তৎমধ্যে ৫টি লাইসেন্সধারী ১৯টি লাইসেন্স বিহীন। সম্প্রতি বনবিভাগের উদ্যেগে স-মিল উচ্ছেদের নাটকিয়তা সাজিয়ে দু’টি স-মিলের আংশিক জিনিসপত্র আনলে ও তা লোক দেখানো ও বনবিভাগের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে সন্তুষ্ট করার জন্য করেছে বলে এলাকার সচেতন মহলের ধারনা।

না হলে দু’ একদিন যেতে না যেতেই স-মিল গুলিতে দিনে রাতে কাঠ চিরাই হচ্ছে বনবিভাগের কর্মকর্তা কর্র্মচারীরা দেখে ও না দেখার ভান করে আছে। স-মিল গুলি হচ্ছে-পৌরসভাস্থ গোরকঘাটায় মুফিজের মালিকানাধীন ২টি, আব্দু শুক্কুরের ১টি, মুবিনের ১টি,  বানিয়ার দোকানস্থ আবু তাহেরের ১টি, খোরশেদ আলমের ১টি।

বড় মহেশখালী ইউনিয়নস্থ নতুন বাজারে মৌলানা মোাজাফ্ফরের ১টি, আব্দু রহমানের ১টি, আব্দু সালামের ১টি। কুতুবজোম ইউনিয়নস্থ কালা মিয়ার দোকানে নুরুল হকের ১টি, সচিবের ভাইয়ের ১টি, বটতলীস্থ মৌলানা ফরিদ আলমের ১টি।

হোয়ানক  ইউনিয়নস্থ ফরিদের ১টি, হোয়ানক টাইমবাজারে ১টি, কালারমারছড়া  ইউনিয়নে ৪টি, মাতারবাড়িতে ২টি, শাপলাপুর ইউনিয়স্থ জেএমঘাটে ১টি, বালুর ডেইল এলাকায় ১টি। এলাকার সচেতন মহল জানান, বিশেষ টহল দলনেতা আব্দুল হামিদ সু-কৌশলে বিভিন্ন স-মিল ও কাঠচোর চক্রের সাথে গোপন আতাঁত করে  মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।

তারা আরো বলেন, বনবিভাগের কিছু অসাধু লোকের মারফতে অভিযানের পুর্বেই স-মিল কর্তৃপক্ষ ও কাঠচোর চক্রের গৃড়ফাদারের  কাছে খবর ফাসঁ হয়ে যার দরুন কাঠচোর চক্ররা আরো বেশী সক্রিয় হয়ে বন উজাড় করে ও স-মিল মালিকেরা আরো বেশী সাহসী হয়ে দিনে রাতে কাঠ চিরাইয়ে মগ্ন হয়ে যাই। এ ব্যাপারে রেঞ্জ কর্মকর্তা আনিছুল হকের মোবাইলে বারংবার ফোন করার পরে সংযেযাগ পাওয়া যাইনি।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -spot_img

Most Popular

Recent Comments