মন্ত্রিপরিষদ বৈঠক শেষে ডিসিসি নির্বাচনী ফাইলে স্বাক্ষর করলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকা সিটি করপোরেশনের (ডিসিসি) উত্তর ও দক্ষিণে নির্বাচন সংক্রান্ত ফাইলে স্বাক্ষর করেছেন। সোমবার মন্ত্রিপরিষদ বৈঠক শেষে এ ফাইলে তিনি স্বাক্ষর করেন বলে বিশ্বস্ত সূত্রে এ কথা জানা গেছে।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শিগগিরই ডিসিসি নির্বাচন হবে। দক্ষিণ ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সময় মতো প্রার্থী দেয়া হবে।’ কমিশনার পদে ওয়ার্ড পর্যায়ে তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রার্থী দেয়া হবে বলেও তিনি জানান। নিয়মানুযায়ী, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় এখন নির্বাচন কমিশনকে(ইসি) ডিসিসি নির্বাচন অনুষ্ঠানের অনুরোধ জানালে ইসি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবে।

 

তবে নির্বাচনের দিনক্ষণ নিয়ে মন্ত্রিসভায় আলোচনা হয়নি। প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার সব সদস্যকে নির্বাচন নিয়ে কাজ করতে বলেছেন। বিশেষ করে ঢাকা মহানগরের দায়িত্বে যেসব আওয়ামী লীগ নেতা রয়েছেন তাদের জোর দিয়ে কাজ করতে বলেছেন।

 

ঢাকার পাশাপাশি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়েও আলোচনা হয় মন্ত্রিসভায়। চট্টগ্রাম সিটি এবং ঢাকা দক্ষিণের প্রার্থী কাকে করা হবে তা পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

 

গত ১৬ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিসভা বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সরকারমন্ত্রীকে দ্রুত ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের নির্দেশ দেন। সে সময় ঢাকা উত্তরের জন্য আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি আনিসুল হককে সমর্থন দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন।

 

২০০২ সালের এপ্রিলে ভোটের পর ২০০৭ সালের মে মাসে অবিভক্ত ডিসিসির নির্বাচনের মেয়াদ শেষ হয়। এরপর সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের আর নির্বাচন হয়নি। এ নিয়ে সমালোচিত হচ্ছে সরকার।

 

২০১১ সালের ৩০ নভেম্বরে ৫৬টি ওয়ার্ড নিয়ে দক্ষিণ ও ৩৬টি ওয়ার্ড নিয়ে উত্তর নামে দুই ভাগ হয় ডিসিসি। দুই ভাগ করার পর অনির্বাচিত প্রশাসক দিয়ে চলছে ঢাকা সিটি করপোরেশন।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।