শনিবার, অক্টোবর 16, 2021
শনিবার, অক্টোবর 16, 2021
শনিবার, অক্টোবর 16, 2021
spot_img
Homeরাজনীতিনাগরিক সুজন কখনো নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করে না

নাগরিক সুজন কখনো নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করে না

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) কখনো নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করে না। এজন্য পর্যবেক্ষক পেতে সিটি নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) কোনো আবেদনও করেনি। সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে একথা জানিয়েছে সুজন। এতে স্বাক্ষর করেছেন সুজন সভাপতি এম হাফিজউদ্দিন খান ও সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার।

 

গতকাল রবিবার রাতে গুলশান কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার আহমেদ অভিযোগ করেন, সুজন ও অধিকার’র মত সংগঠনকে নির্বাচনী পর্যবেক্ষক না করা রহস্যজনক। তিনি দাবি করেন, নির্বাচনী নীল নকশার অংশ হিসেবেই নির্বাচন কমিশন ভূইফোঁড় মানবাধিকার ও সমাজ উন্নয়ন সংস্থা ‘মওসুস’ নামের অচেনা, অজানা একটি প্রতিষ্ঠানের বিপুলসংখ্যক লোককে নির্বাচন পর্যবেক্ষকের অনুমতি দিয়েছে।

 

তারই ব্যাখ্যায় বিবৃতিতে সুজন বলেছে, ‘সুজন অতীতে কখনোই নির্বাচনের দিনে পর্যবেক্ষণের কাজ করেনি এবং ভবিষ্যতেও এ কাজ করার কোনো পরিকল্পনা নেই। এ লক্ষ্যে আমরা কখনোই নির্বাচন কমিশনের নিকট আবেদনও করিনি।’

 

এতে বলা হয়েছে, ‘সুজন নির্বাচনী প্রক্রিয়া তথা গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিকীকরণের লক্ষ্যে নির্বাচনী ও রাজনৈতিক দলের সংস্কার ইত্যাদি বিষয়ে কাজ করেছে। নির্বাচনী সংস্কার প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে- নির্বাচন সংশ্লিষ্ট আইনি কাঠামোর সংস্কার, ভোটার তালিকার যথার্থতা ও যথাযথভাবে সীমানা পুনঃবিন্যাস করা ইত্যাদি।’

 

সুজনের ভাষ্য, ভোটাররা যাতে একটি অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন প্রক্রিয়ার মধ্যদিয়ে সৎ, যোগ্য ও জনকল্যাণে নিবেদিত প্রার্থীদের ভোট দিয়ে নির্বাচিত করতে পারেন, সে লক্ষ্যে নাগরিক সংগঠন হিসেবে এ নির্বাচনে আমরা বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করেছি।

 

তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- হলফনামায় প্রার্থী কর্তৃক দাখিলকৃত তথ্য সন্নিবেশ করে তুলনামূলক চিত্র তৈরি ও ভোটারদের মাঝে বিতরণ, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের একই মঞ্চে এনে জনগণের মুখোমুখি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা, সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রার্থী কর্তৃক দাখিলকৃত তথ্যের বিশ্লেষণ উপস্থাপন, ভোটারদের মধ্যে সচেতনতা তৈরির জন্য বিভিন্ন প্রচারণা ইত্যাদি।

 

আসন্ন সিটি নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া নিয়ে নানা মহলে নানা সংশয় বিরাজ করলেও সুজন প্রত্যাশা করে, নির্বাচন কমিশন, রাজনৈতিক দল, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সকলের সহযোগিতায় একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে সক্ষম হবে।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -spot_img

Most Popular

Recent Comments