রবিবার, অক্টোবর 24, 2021
রবিবার, অক্টোবর 24, 2021
রবিবার, অক্টোবর 24, 2021
spot_img
Homeজেলাটেন্ডার না পেয়ে ৫ কর্মকর্তাকে পেটাল ছাত্রলীগ

টেন্ডার না পেয়ে ৫ কর্মকর্তাকে পেটাল ছাত্রলীগ

টেন্ডার না পেয়ে ময়মনসিংহে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের পাঁচ কর্মকর্তাকে পিটিয়েছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এই ঘটনায় ছয়জনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে। সোমবার রাতে ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানায় দ্রুত বিচার আইনে ওই ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের নামে মামলা করা হয়।

 

ময়মনসিংহ বিএফআরআই স্বাদুপানি কেন্দ্রের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আকতার হোসেনের মামলার এজহার থেকে জানা যায়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সহসভাপতি আবদুল ওয়াহাব রিন্টু (খাদ্য প্রকৌশল বিভাগ), মনিরুল ইসলাম পলাশ (খাদ্য প্রকৌশল) ও বিজয় বর্মণ (কৃষি প্রকৌশল) কয়েকজন কর্মকর্তাদের পিটিয়েছে।

 

এজাহারে বলা হয়, এদিন বিকেলে বিএফআরআই মুক্তাচাষ প্রকল্পের পরিচালকের কার্যালয়ে পরিচালক হারুনুর রশিদ, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. শাহ আলী, নির্বাহী প্রকৌশলী রাজীবুল করিম, উপসহকারী প্রকৌশলী কামরুল ইসলাম ও কর্মকর্তা নাজনীন বেগমকে বেধড়ক মারধর করেন আসামিরা।

 

মুক্তাচাষ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক হারুনুর রশিদ জানান, সোমবার দুপুরে ওয়াহাব রিন্টুর নেতৃত্বে ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী বিএফআরআই সদর দপ্তরে তার কার্যালয়ে যান। রিন্টু তাকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘মুক্তাচাষ প্রকল্পের কাজ চলছে, আমরা তো কিছুই পেলাম না।’ তখন প্রকল্প পরিচালক বলেন, এখনো টেন্ডার হয়নি, কাজ শুরু হবে কীভাবে?

 

এর পরও রিন্টু বলেন, ‘আমরা দেখেছি কাজ হচ্ছে। এ নিয়ে বাকবিতণ্ডা চলতে থাকলে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা তাকে দেখে নেবেন বলে হুমকি দিয়ে অফিস ত্যাগ করেন। হারুনুর রশিদ আরো জানান, বেলা পৌনে ৩টার দিকে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সহসভাপতি ওয়াহাব রিন্টু ও বিজয়ের নেতৃত্বে পাঁচ/সাতটি মোটরসাইকেলে ১৫-২০ নেতাকর্মী আবার প্রকল্প পরিচালকের কার্যালয়ে আসেন এবং তাকে পেটাতে শুরু করেন।

 

তার চিৎকার শুনে সহকর্মীরা বাচাতে এগিয়ে এলে তাদেরও পেটানো হয়। এ সময় বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. শাহ আলী, নির্বাহী প্রকৌশলী রাজীবুল করিম, উপসহকারী প্রকৌশলী কামরুল ইসলাম, কর্মকর্তা নাজনীন বেগমসহ আনসারদের ওপর হামলা চালানো হয়।

 

খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম ঘটনাস্থলে ছুটে যান। প্রকল্প পরিচালক হারুনুর রশিদ ও বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. শাহ আলী সন্ধ্যায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -spot_img

Most Popular

Recent Comments