খালেদার লন্ডন সফরের রাজনৈতিক তাৎপর্য কী

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া মঙ্গলবার রাত সাড়ে নয়টায় লন্ডনের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়বেন বলে কথা রয়েছে। কয়েক সপ্তাহ ধরেই তার এই লন্ডন সফরের সম্ভাবনা এবং গুরুত্ব নিয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে বেশ আলোচনা চলে আসছিল।

 

দলের তরফ থেকে বলা হচ্ছে তিনি চিকিৎসার জন্য সেখানে যাচ্ছেন। তবে যেহেতু সেখানে তারেক রহমানের সাথে তার দেখা হবে ফলে সাংগঠনিক অনেক ব্যাপারেই তাদের শলা-পরামর্শ হবে, যেটাকে বিএনপির রাজনীতিতে খুব গুরুত্ব বহন করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

 

খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, তিনি সেখানে যাচ্ছেন মূলত চিকিৎসার জন্য। এর পর কয়েকদিন ছেলে তারেক রহমান ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সাথে সময় কাটাবেন তিনি।

 

‘তারেক রহমান তো সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান। তার সঙ্গে রাজনৈতিক আলোচনা হওয়াই স্বাভাবিক। তাদের মধ্যে এখনকার রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও দলের ব্যাপারে আলোচনা হবে বলেও আমি মনে করি’, বলছেন আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তবে এই সফরে লন্ডনে কোনোরকম বৈঠক, সমাবেশ বা মতবিনিময় এখনো পর্যন্ত নির্ধারিত নেই, যদিও লন্ডনে বিএনপির সাংগঠনিক তৎপরতা চলবার খবর প্রায়ই শোনা যায়। সেখানে বিএনপির একটি কমিটিও আছে।

 

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলছেন, এখনো পর্যন্ত পূর্বনির্ধারিত কোনো অনুষ্ঠান নেই। তবে পরবর্তীতে কোনো রকম সূচি তৈরি হবার সম্ভাবনাও তিনি উড়িয়ে দেননি। বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান ও খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমান বেশ কয়েক বছর ধরে লন্ডনে অবস্থান করছেন। সেখান থেকে বাংলাদেশে বিএনপির রাজনীতিতে তিনি যথেষ্ট ভূমিকা পালন করেন বলেও শোনা যায়।

 

ফলে চেয়ারপারসনের সাথে তার এই সাক্ষাৎ যে শুধু মা ছেলের সাক্ষাৎ হবে না, বরঞ্চ দলের ভবিষ্যৎ নীতিনির্ধারণের ক্ষেত্রে দুই শীর্ষস্থানীয় নেতার শলাপরামর্শেরও ক্ষেত্র তৈরি করবে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

 

সূত্র: বিবিসি।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।