রবিবার, অক্টোবর 24, 2021
রবিবার, অক্টোবর 24, 2021
রবিবার, অক্টোবর 24, 2021
spot_img
Homeরাজনীতিএবার ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচনের প্রস্তুতি

এবার ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচনের প্রস্তুতি

পৌরসভা নির্বাচনের পর এবার সারা দেশের সাড়ে চার হাজারের বেশি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন।

 

এবার ইউনিয়ন পরিষদেও চেয়ারম্যান পদে দলীয় ভিত্তিতে নির্বাচন হবে। এ বিষয়ে প্রস্তুতিমূলক কাজ আগেই শুরু হয়ে গেছে। নতুন ভোটার তালিকা চূড়ান্ত হওয়ার পর তফসিল ঘোষণার জন্য বাকি প্রস্তুতিমূলক কাজ সম্পন্ন হবে।

 

দৈনিক কালের কণ্ঠ জানায়, ভোটগ্রহণ শুরু হতে পারে মে মাসের দিকে।

 

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সম্পর্কে সচিব মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘৩১ জানুয়ারি ভোটার তালিকা চূড়ান্ত হলেও ফেব্রুয়ারিতে এসএসসি পরীক্ষার কারণে ওই নির্বাচন করা সম্ভব হবে না। মার্চেও কিছুটা সমস্যা আছে। ইউনিয়ন পরিষদেও চেয়ারম্যান পদে দলীয় ভিত্তিতে নির্বাচন করার জন্য আইন সংশোধন করা হয়েছে। সংশোধিত ওই আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আমাদের নির্বাচন ও আচরণ বিধিমালা করতে হবে। আবার এপ্রিলে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হবে। সে ক্ষেত্রে মে মাসেই নির্বাচন শুরু হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। তবে এ নির্বাচন কখন শুরু হবে সে সম্পর্কে কমিশনই সিদ্ধান্ত নেবে।’

 

ইসি সচিবালয় সূত্র জানায়, ইসির চাহিদা অনুযায়ী স্থানীয় সরকার বিভাগ নির্বাচন উপযোগী ৪৫৫৩টি ইউনিয়ন পরিষদের তালিকাসহ সংশ্লিষ্ট তথ্য সরবরাহ করেছে।

 

এদিকে আজ দেশব্যাপী ভোটার হালনাগাদের খসড়া তালিকা প্রকাশ করতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন। এই তালিকা সম্পর্কে দাবি, আপত্তি নিষ্পন্ন করার পর আগামী ৩১ জানুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। এ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে প্রায় সাড়ে ৪৭ লাখ নতুন ভোটার।

 

গত ২৫ জুলাই থেকে শুরু হয় ছবিসহ ভোটার তালিকা হালনাগাদের কাজ। এ কাজে ১৯৯৮ সালের ২ জানুয়ারি বা এর আগে যাদের জন্ম এবং ১৯৯৮ সালের ২ জানুয়ারি থেকে ২০০০ সালের ১ জানুয়ারি পর্যন্ত জন্মগ্রহণকারীদের তথ্য সংগ্রহ করে ইসি। খসড়া ভোটার তালিকায় ১৯৯৮ সাল বা এর আগে যাদের জন্ম তাদের নাম অন্তর্ভুক্ত হবে। বাকিরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে অন্তর্ভুক্ত হবে ১৮ বছর পূর্ণ হলে। ভোটার তালিকা হালনাগাদের কাজ দুই স্তরে মোট ছয় ধাপে সম্পন্ন করা হয়। শেষ ধাপে ঢাকা মহানগরীর ভোটার হালনাগাদ করা হয়। এতে প্রায় ৭২ লাখ ১৬ হাজার নাগরিকের তথ্য সংগ্রহের লক্ষ্য ধরা হয়েছিল।

 

তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরুর সময় নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, সর্বশেষ ২০১৪ সালের হালনাগাদ তালিকায় পুরুষের চেয়ে নারী ভোটারের সংখ্যা কম হয়। এবার যাতে এমন অসমতা তৈরি না হয় সেদিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। এ ছাড়া তালিকায় রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সেখানে থাকবে বিশেষ ফরম। তবে ছিটমহলবাসীকে আপাতত ভোটার করা যাচ্ছে না।

 

এদিকে গত অক্টোবরে সারা দেশে ভোটারদের তথ্য সংগ্রহ এবং নিবন্ধনের কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর জানা যায়,  নতুন  ভোটার বা ১৯৯৮ সালের ২ জানুয়ারি বা এর আগে জন্ম নেওয়াদের অন্তর্ভুক্তির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৭ লাখ ৩৫ হাজার ১০৪ জন।

 

এর মধ্যে পুরুষ ২৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৫৯ জন এবং নারী ভোটার ২০ লাখ ৮৮ হাজার ৪৪৫ জন। নারীর চেয়ে পুরুষ ভোটার পাঁচ লাখ ৫৮ হাজার ২১৪ জন বেশি।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -spot_img

Most Popular

Recent Comments