বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর 2, 2021
বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর 2, 2021
বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর 2, 2021
spot_img
Homeরাজনীতিপৌর নির্বাচনে কেমন করলো মহাজোটের শরীকরা

পৌর নির্বাচনে কেমন করলো মহাজোটের শরীকরা

সদ্যসমাপ্ত পৌরসভা নির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ বিপুল বিজয় লাভ করলেও দলটির নেতৃত্বাধীন মহাজোটের শরীরদের ক্ষেত্রে ঘটেছে ঠিক বিপরীত ঘটনা।

 

১৪ দলীয় জোটের অন্যতম দল জাতীয় পার্টির একজন মেয়র প্রার্থী টেনেটুনে জয়ী হতে পারলেও জোটের অন্য শরীকদের প্রার্থীরা জামানত হারিয়েছেন।

 

অথচ আওয়ামী লীগ ছাড়াই জোটের অন্য শরীকরা প্রায় ১৩০ পৌরসভায় মেয়র পদে প্রার্থী দিয়েছিল। এদের অনেকেই ২০০ ভোটও পাননি।

 

জাতীয় পার্টি ধূলিস্যাৎ

মানবজমিন জানায়, উপজেলা নির্বাচনে সারা দেশে মাত্র একটি চেয়ারম্যান পদে জিতেছিলেন জাতীয় পার্টি সমর্থিত প্রার্থী। সদ্য অনুষ্ঠিত পৌর নির্বাচনেও সেই সংখ্যাটিকে অতিক্রম করতে পারেনি দলটি। দলীয় প্রতীকে প্রথম এই স্থানীয় নির্বাচনে মাত্র একটি মেয়র পদ পেয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে দলটিকে। বেশির ভাগ পৌরসভাতেই জাপা প্রার্থীরা হরিয়েছেন তাদের জামানত।

 

উত্তরাঞ্চলকে এরশাদের দুর্গ বলে চিহ্নিত করা হলেও সেখানেও জাপার মেয়র প্রার্থীদের ব্যাপক ভরাডুবি হয়েছে। রংপুরের বদরগঞ্জে জাপা প্রার্থী মো. লতিফুল খবির পেয়েছেন মাত্র ১৭১ ভোট। লালমনিরহাটের পাটগ্রাম পৌরসভায় জাতীয় পার্টির আব্দুল হামিদ পেয়েছেন মাত্র ১৩৭ ভোট।

 

শুধু উত্তরাঞ্চলই নয়, দেশের অন্যান্য পৌরসভায় জাতীয় পার্টির প্রার্থীর ভোটের সংখ্যাও হাতেগোনা। এই বিপর্যয়ের জন্য দলের বিতর্কিত ভূমিকাকেই দায়ী করছেন মাঠপর্যায়ের কর্মীরা। তারা বলছেন, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচনে যাওয়া না যাওয়া নিয়ে এরশাদের নাটকীয় অবস্থানের কারণে মানুষের আস্থা হারিয়ে ফেলেছে দলটি। এরপর বিরোধী দল হওয়ার পরও বিতর্কিত ভূমিকা অব্যাহত রয়েছে।

 

জাপার এক কেন্দ্রীয় নেতার মতে, জনগণের হয়ে নয়, বরং সরকারের হয়েই সংসদে ভূমিকা রাখছে জাতীয় পার্টি। এসবই দলকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে। আর এজন্যই দলের এই বিপর্যয়।

 

এছাড়া মন্ত্রিসভায় থাকা না থাকা নিয়ে এরশাদ-রওশনের নাটক, দলের সাংগঠিনক দুর্বলতা ও দলীয় এমপিদের প্রশ্নবিদ্ধ অবস্থানকেও দুষছেন তারা।

 

নেতাকর্মীরা বলছেন, স্থানীয় পর্যায়ে আওয়ামী লীগের সঙ্গে একাকার হয়ে গেছে জাতীয় পার্টি। জাপার আলাদা কোনো সত্তা এখন আর নেই। জাতীয় মহিলা পার্টির সাধারণ সম্পাদক অনন্যা হোসেন মৌসুমী বলেন, জাপার এই ভরাডুবির পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ আমাদের বিনা ভোটের এমপিরা। তারা সরকারের দালালি করেন।

 

ওদিকে নির্বাচনের একদিন আগে সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে সমালোচনা করে এরশাদের দেয়া বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমতের কথা স্পষ্ট জানিয়েছেন তার স্ত্রী রওশন এরশাদ।

 

এক সংবাদ সম্মেলনে বিরোধীদলীয় নেতা বলেছেন, এরশাদ দলকে চাঙ্গা রাখার জন্যই এসব বক্তব্য দিয়ে থাকেন। দলের এক কেন্দ্রীয় নেতা বলেন, এই ধরনের মন্তব্য করে এরশাদকে জাতির সামনে ছোটই করেননি রওশন, বরং দলের দ্বন্দ্ব আরও স্পষ্ট করে দিয়েছেন।

 

নির্বাচনের ঠিক আগ মুহূর্তে এ বক্তব্য স্থানীয়ভাবে জাপা প্রার্থীদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলেও মন্তব্য করেন ওই নেতা।

 

দলীয় সূত্র বলছে, তফসিল ঘোষণার আগে থেকেই এইচ এম এরশাদ ২৩৪টি পৌরসভায় প্রার্থী দেয়ার ঘোষণা দেন। শেষ পর্যন্ত ৯৩ পৌরসভায় প্রার্থী দেন তিনি। ৯৩ জনের মধ্যেও সবাই নির্বাচনের মাঠে ছিলেন না। মাত্র ৭৪ জন প্রার্থী লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন বলে দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়। তার বিপরীতে মাত্র ১টি পৌরসভায় জয় পায় দলটি।

 

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী পৌরসভায় লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে ৩১৮০৫ ভোট পেয়ে জয়ী হন আব্দুর রহমান মিয়া। তবে তিনি দাবি করেন, দলের দাপটে নয়, বরং ব্যক্তিগত কর্মের কারণে তিনি জয়ী হয়েছেন। আব্দুর রহমান মিয়া বলেন, আমি দীর্ঘদিন থেকে এ এলাকায় মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। মানুষ আমাকে ভালোবাসেন। এর আগেও মেয়র হয়েছি। ব্যক্তিগত কর্ম ও মানুষের ভালোবাসা নিয়েই দ্বিতীয়বার মেয়র হলাম।

 

এদিকে নির্বাচনের অনেকদিন আগ থেকেই দলের মহাসচিব জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু দেশের বাইরে ছিলেন। এমনকি নির্বাচনের দু’দিন আগে এরশাদও বিদেশ সফরে গিয়েছেন। নেতাকর্মীরা বলছেন, চেয়ারম্যান ও মহাসচিবের অনুপস্থিতিতে দিকনির্দেশনাহীন হয়ে পড়েন প্রার্থীরা। তাদের দায়সারা মনোভাব প্রার্থীদের মনোবল অনেকটা কমিয়ে দিয়েছে।

 

এদিকে দলের কেন্দ্রীয় ফোরামের পক্ষ থেকে পুরো নির্বাচন সমন্বয়ের দায়িত্বে ছিলেন পার্টির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া। কেন এই ভরাডুবি জানতে চাইলে রেজাউল বলেন, বিপর্যয়ের কারণ আমরা এখনও বিশ্লেষণ করে দেখিনি। বিশ্লেষণের পরেই জানা যাবে মানুষ কেন মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন।

 

এ ব্যাপারে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী জিএম কাদের বলেন, প্রথম কথা হলো জাতীয় পার্টি শুধু নামেই বিরোধী দল। এটা যেহেতু দলীয় প্রতীকে নির্বাচন, এখানে জাতীয় রাজনীতির প্রভাব থাকবে। সেক্ষেত্রে সরকার বিরোধীরা জাতীয় পার্টিকে বিরোধী দল হিসেবে মেনে নেবে না। তারা বিএনপিকেই বিরোধী দল হিসেবে মেনে নেবে। তারপরও এরশাদ সাহেবের সুনাম ও প্রার্থীদের ব্যক্তিগত ইমেজে কিছু প্রার্থী হয়েছিল। তাদের আশা ছিল কিছু ভোট পাবে। এজন্যই দাঁড়িয়েছে। কিন্তু ন্যাশনাল পারসপেক্টিভে, যেখানে জাতীয় পার্টির রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট নয়, সেখানে ভোট পাওয়া বা ভালো করার সম্ভাবনা কমই ছিল।

 

তবে আমাদের দুর্বল প্রার্থীদের কোনো সমস্যা সৃষ্টি না করা হলেও শক্তিশালী প্রার্থীদের নানাভাবে বাধার সম্মুখীন করা হয়েছে। তাছাড়া আমাদের দলের চেয়ারম্যান আগেই আশঙ্কা করেছিলেন, এটা কোনো নির্বাচন হচ্ছে না। ফলাফল আগেই ঘোষণা হয়ে যাবে। জাতীয় পার্টির তরফ থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে হয়, তাই করা হয়েছে। প্রার্থীদের জিতে আসতে হবে- এটা কেন্দ্রীয়ভাবেই সিরিয়াসলি নেয়া হয়নি বলে আমার ধারণা।

 

মেয়র পদে ১৮০ ভোট!

অন্যদিকে এককভাবে অংশ নিয়ে একটি পৌরসভায়ও জিততে পারেননি আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের শরিক দলের কোনো প্রার্থী।

 

নির্বাচনে জেটের ৪টি দলের ৩৭ জন প্রার্থী নিজ নিজ দলের পক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। কিন্তু নির্বাচনে তেমন কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতাই গড়ে তুলতে পারেননি তারা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দু-একটি পৌরসভায় প্রার্থীরা কিছুটা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারলেও বেশিরভাগ প্রার্থীই জামানত হারিয়েছেন।

 

১৪ দলের শরিক দলগুলোর শীর্ষ নেতারা বলছেন, জোটের শীর্ষ দল আওয়ামী লীগের সঙ্গে সমঝোতা না হওয়া, নিজেদের মধ্যে সমন্বয়হীনতা, প্রস্তুতি ও প্রচারণার অভাব, তহবিল ঘাটতিসহ নানা কারণে সরকারের শরিক ওয়ার্কার্স পার্টি, জাতীয় পার্টি (জেপি) ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ)সহ ১৪ দলের কোনো প্রার্থীই নির্বাচনে নিজেকে উৎরাতে পারেননি।

 

তবে, নেতাদের অনেকেই দাবি করছেন, একই পৌরসভায় জোটের শীর্ষ দল আওয়ামী লীগ ও শরিক দলের প্রার্থী থাকায় বড় দল হিসেবে ভোটাররা আওয়ামী লীগকে বেছে নিয়েছে। এ কারণেও প্রার্থীরা জিততে পারেননি।

 

নির্বাচনের আগে ১৪ দলের শরীকদলগুলোর শীর্ষ নেতারা আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচন করতে তুমুল আগ্রহী ছিলেন। কিন্তু জোটের শীর্ষ দল আওয়ামী লীগের তরফে এ বিষয়ে কোনো সাড়া না পেয়ে এককভাবেই নির্বাচনে অংশ নেয়ার ঘোষণা দেয় জোটের বেশকিছু শরিক দল। তবে, গণতন্ত্রী পার্টি, তরীকত ফেডারেশনসহ বেশকিছু দল নির্বাচনে অংশ নেয়ার ঘোষণা দিলেও ওয়ার্কার্স পার্টি, জেপি, জাসদ ও ন্যাপ (মোজাফফর) ছাড়া আর কোনো প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নেয়নি।

 

মনোনয়নপত্র দাখিলের পর ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ১৪ দলের বৈঠকে এককভাবে নির্বাচনের পাশাপাশি ১৪ দলের শরিক দলের প্রার্থীদের প্রচারণার জন্য একটি টিম গঠন করা হয়। একই সঙ্গে পৌর  নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ করা এবং যেসব এলাকায় ১৪ দলের শরীক দল ও আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সেসব পৌরসভায় যাতে নিজেদের মধ্যে কোনো কাদা ছোড়াছুড়ি না হয় সে বিষয়ে সতর্ক থাকার জন্য আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের সতর্ক করেন জোটের শীর্ষ নেতারা।

 

এ ব্যাপারে সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর নির্বাচনে ১৪ দলের প্রচারণা কমিটির সমন্বয়ক দিলীপ বড়ুয়া বলেন, আমরা জোটের প্রার্থীদের পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছি। আর নির্বাচনে জোটের শরিকদের কারও জেতার বিষয়টিও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় খুবই স্বাভাবিকভাবেই দেখছি।

 

পৌর নির্বাচনে জাসদের প্রার্থী ছিল ২১ জন। দলটির কেন্দ্রীয় নেতারা দাবি করেছেন কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা, চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা, বগুড়ার নন্দীগ্রামসহ বেশকিছু পৌরসভায় জাসদের শক্তিশালী প্রার্থী ছিল। কিন্তু কোনো প্রার্থীই প্রতিপক্ষের সঙ্গে ন্যূনতম প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলতে পারেননি।

 

এর মধ্যে জাসদ সভাপতি ও তথ্যমন্ত্রী হাসানুর হক ইনুর এলাকা কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা পৌরসভায় জাসদ মনোনীত প্রার্থী জেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক আবদুল আলীম স্বপনের বিষয়ে আশাবাদী ছিলেন দলটির শীর্ষ নেতারা। কিন্তু নির্বাচনের পরে দেখা গেছে প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ প্রার্থীর চেয়ে মশাল প্রতীকে তিনি ৩৭০০ ভোটের বেশি ব্যবধানে পরাজিত হয়েছেন। একই জেলার কুমারখালীতে জাসদের প্রার্থী আফজাল হোসেন সাচ্চু মশাল প্রতীকে ভোটে অংশ নিয়ে ৩০০ এর কিছু বেশি ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন।

 

জাতীয় পার্টির (জেপি) মহাসচিব শেখ শহীদুল ইসলাম মানবজমিনকে বলেন, আমাদের ৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ৫ জনের ফলাফল আমরা পেয়েছি। তারা পরাজিত হয়েছেন। আর বাকি যে একজনের স্থগিত ফলাফল রয়েছে তার অবস্থাও ভাল নয়।

 

সরকারের অন্যতম শরীক ওয়ার্কার্স পার্টি পৌরসভা নির্বাচনে ৯ জনকে মনোনয়ন দিয়েছিল। পার্টির নেতাদের দাবি অনুযায়ী রাজশাহী, নাটোরসহ বেশকিছু পৌরসভায় তাদের শক্তিশালী প্রার্থী ছিল। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ওয়ার্কার্স পার্টির প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন এমন প্রত্যেকটি পৌরসভায় তাদের প্রার্থীদের চরম ভরাডুবি হয়েছে।

 

রাজশাহীর দুর্গাপুর পৌরসভায় শামীনুল ইসলাম শামীম  হাতুড়ি প্রতীকে ১৮০ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন। এছাড়া কাটাখালী পৌরসভায় ওয়ার্কার্স পার্টির প্রার্থী মাহবুর রহমান ডলার হাতুড়ি প্রতীকে ৩৯০ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন। জানতে চাইলে দলটির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা মানবজমিনকে বলেন, আসলে দলীয় প্রতীকে পৌরসভা নির্বাচনে অংশ নেয়ার মতো যে ধরনের প্রস্তুতি দরকার ছিল সে ধরনের প্রস্তুতি আমাদের ছিল না।

 

এছাড়া সাংগঠনিক ক্ষেত্রেও আমরা কিছুটা দুর্বলতার পরিচয় দিয়েছি। নির্বাচনের না জেতার কারণ হিসেবে আপাতত এটিই বলতে পারি। তিনি বলেন, তবে, আমরা হতাশ নই। সামনে আরও স্থানীয় সরকার নির্বাচন রয়েছে। আশা করি ভুলত্রুটি শুধরে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবো।

 

ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (মোজাফফর) যুগ্ম সম্পাদক ইসমাইল হোসেন বলেন, সাভারে মফিজুল ইসলাম নামে দলের একজন প্রার্থী ছিল। তিনি কোন প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলতে পারেননি।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -spot_img

Most Popular

Recent Comments