শনিবার, ডিসেম্বর 4, 2021
শনিবার, ডিসেম্বর 4, 2021
শনিবার, ডিসেম্বর 4, 2021
spot_img
Homeকুমিল্লাজেল হত্যা দিবসে শহীদ জাতীয় চার নেতার প্রতি শ্রদ্ধা কুমিল্লা মহানগর...

জেল হত্যা দিবসে শহীদ জাতীয় চার নেতার প্রতি শ্রদ্ধা কুমিল্লা মহানগর আওয়ামীলীগের

কুমিল্লা মহানগর আওয়ামীলীগ কলঙ্কময় ৩ রা নভেম্বর জেল হত্যা দিবসে শহীদ জাতীয় চার নেতার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছে । আজ বৃহস্পতিবার ভোর ৬টায় সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমেদ, মনসুর আলী এবং এ এইচ এম কামারুজ্জামান এর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানায়। এর আগে রামঘাট কুমিল্লা মহানগর আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে জাতীয়, দলীয় ও কালো পতাকা উত্তোলন করা হয়।

কুমিল্লা মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আরফানুল হক রিফাতের নেতৃত্বে কুমিল্লা মহানগর আওয়ামীলীগের সকল কমিটির সকল সদস্য বৃন্দ, কুমিল্লা মহানগর যুবলীগের সংগঠক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ সহিদেও নেতৃত্বে কুমিল্লা মহানগর যুবলীগের নেতৃবৃন্দ, কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহবায়ক সাদেকুর রহমান পিয়াসের নেতৃত্বে কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতৃবৃন্দ ও কুমিল্লা মহানগর ছাত্রলীগেরনেতৃবৃন্দ শ্রদ্ধা জানায়। সন্ধায় কুমিল্লা টাউন হলে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

১৯৭৫, প্রায় আড়াই মাস আগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর পরম আস্থার নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমেদ, মনসুর আলী এবং এ এইচ এম কামারুজ্জামানকে জেলে বন্দি করা হয়। তখন থেকেই পাল্টা অভ্যুত্থানের আশঙ্কায় ছিলো মোশতাক সরকার ও খুনি সেনারা।

১৯৭৫ এর ১৫ আগস্ট হত্যা করা হয় স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি জাতির জনক ও তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর তাঁর ঘনিষ্ঠ এই চার সহকর্মীকে গ্রেফতার করে কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে পাঠানো হয়েছিল। পরবর্তী অস্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ক্যু-পাল্টা ক্যুর রক্তাক্ত অধ্যায় মানবতার শত্রু ও বঙ্গবন্ধুর হত্যারক ওই একই পরাজিত শক্তির দোসর বিপথগামী কিছু সেনাসদস্য কারাগারে ঢুকে চার নেতাকে হত্যা করে। স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের শত্রুরা সেদিন দেশমাতৃকার সেরা সন্তান এই জাতীয় চার নেতাকে শুধু গুলি চালিয়েই ক্ষান্ত হয়নি, কাপুরুষের মতো গুলিবিদ্ধ দেহকে বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে ক্ষতবিক্ষত করে একাত্তরে পরাজয়ের জ্বালা মিটিয়েছিল।

ইতিহাসের এই নিষ্ঠুর হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় শুধু বাংলাদেশের মানুষই নয়, স্তম্বিত হয়েছিল সমগ্র বিশ্ব। বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতার হত্যাকান্ড ছিল একই ষড়যন্ত্রের ধারাবাহিকতা। আসলে হত্যাকারীরা এবং তাদের দোসররা চেয়েছিল পাকিস্তান ভাঙ্গার প্রতিশোধ নিতে, রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ ও সীমাহীন ত্যাগের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জনকারী দেশটিকে হত্যা ও ষড়যন্ত্রের আবর্তে নিক্ষেপ করতে। তাদের উদ্দেশ্য ছিল পুনর্গঠন ও গণতান্ত্রিকতার পথ থেকে সদ্য স্বাধীন দেশটিকে বিচ্যুত করা এবং বাংলাদেশের মধ্যে থেকে একটি মিনি পাকিস্তান সৃষ্টি করা।”

RELATED ARTICLES
- Advertisment -spot_img

Most Popular

Recent Comments