সদ্ধিান্ত যেন গণতানি্ত্রক প্রক্রিয়ায় হয় :টিআইবি

ঢাকা, ২০ নভেম্বর (খবর তরঙ্গ ডটকম)- সাংসদদের কর্মকাণ্ড নিয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) সাম্প্রতিক প্রতিবেদন নিয়ে গতকাল সোমবার সংসদে যে আলোচনা হয়েছে, সেখানে আলোচকদের প্রতিবেদনটি সম্পর্কে পরিপূর্ণ ধারণার ঘাটতি রয়েছে বলে মনে করছেন সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান।
আন্তর্জাতিক ও জাতীয় জলবায়ুসংক্রান্ত অর্থায়নে স্বচ্ছতার দাবিতে এবং আগামী দোহা সম্মেলনে টিআইবির অবস্থান তুলে ধরতে আজ রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে এক যেৌথ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সেখানে ইফতেখারুজ্জামান এসব কথা বলেন।
গতকাল সংসদে টিআইবির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ও এর কার্যক্রম নিষদ্ধি করার দাবি জানানো হয়েছে। সাংসদেরা দুর্নীতিবিরোধী এ সংস্থার নির্বাহী পরিচালকসহ সংশি্লষ্ট ব্যক্তিদের সংসদের বিশেষ অধিকার কমিটিতে তলব করারও দাবি জানান।
এ বিষয়ে ইফতেখারুজ্জামান বলেন, সংসদ যে সদ্ধিান্ত নেবে, তা টিআইবি মেনে নেবে। তবে সদ্ধিান্ত যেন গণতানি্ত্রক প্রক্রিয়ায় হয় এবং সেখানে যাতে টিআইবির অংশ নেওয়ার সুযোগ থাকে, এই মতও জানান তিনি।
টিআইবির প্রতিবেদনে ১৪৯ জন সাংসদের মধ্যে ৯৭ শতাংশই নেতিবাচক কাজের সঙ্গে জড়িত বলে উলে্লখ করা হয়। একই সঙ্গে ৫৩ দশমিক ৭ শতাংশ সাংসদ ইতিবাচক কাজের সঙ্গে জড়িত বলে দেখানো হয়েছে।
টিআইবির সমালোচনা করা হলেও প্রতিবেদনে উলি্লখিত সাংসদদের ইতিবাচক দিকগুলো নিয়ে সংসদে কোনো কথা বলা হয়নি বলে জানান ইফতেখারুজ্জামান।
কয়েক দিন আগে তথ্যমন্ত্রী বলেছিলেন,বিরোধী দলকে ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনতে টিআইবি কাজটি করেছে।
এ ব্যাপারে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, `এটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। আমাদের গবেষণায় বিরোধী দলের ১৩ জন সাংসদকে নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এর মধ্যে ১২ জনেরই নেতিবাচক কার্যক্রমের তথ্য ছিল।’
ইফতেখারুজ্জামান বলেন, `আমরা সংসদকে একটি গণতানি্ত্রক, শক্তিশালী ও সম্মানজনক প্রতিষ্ঠান মনে করি। সংসদ ও গণতনে্ত্রর প্রতি টিআইবির পূর্ণ আস্থা আছে। কোনো অগণতানি্ত্রক শক্তিকে সহায়তা নয়, বরং গণতানি্ত্রক শক্তিকে শক্তিশালী করা এবং সে কাজে সরকারকে সহায়তা করাই টিআইবির লক্ষ্য।’
ইফতেখারুজ্জামান আরও বলেন, সমালোচকও সরকারের শুভাকাঙ্ক্ষী হতে পারে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।