সেনাকুঞ্জে কথা হলো না দুই নেত্রীর

ঢাকা, ২১ নভেম্বর (খবর তরঙ্গ ডটকম)- সেনাকুঞ্জে সশস্ত্র বাহিনীর অনুষ্ঠানে যোগ দিলেও দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক নেত্রী শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়ার মধ্যে কোনো কথা হয়নি। অন্যান্য বার এখানে একসাথ হলে কুশল বিনিময় করতেন তারা।বুধবার বিকালে ঢাকা সেনানিবাসের সেনাকুঞ্জে সশস্ত্র বাহিনী আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে দুই নেত্রী একসাথ হন।অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতার পাশাপাশি দেশের রাজনীতিক, বিচারপতি, কূটনীতিক ও ঊর্ধ্বতন বেসামরিক কর্মকর্তারাও যোগ দেন।

বিকাল ৪টার একটু আগেই সেনাকুঞ্জে পৌঁছান বিএনপি চেয়ারপারসন। ৪টার দিকে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী।

দুজনে প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা ওই অনুষ্ঠানে থাকলেও এক বারের জন্যও পাশাপাশি হননি। অন্যান্য বারের মতো নিজেদের মধ্যে কুশল বিনিময়ও করেনি দুই নেত্রী।

অনুষ্ঠানে বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে শহীদ সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের স্মরণ করেন। সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নে আওয়ামী লীগ সরকারের পদক্ষেপগুলোও তুলে ধরেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের সময় খালেদা জিয়া অতিথি মঞ্চে স্পিকার আবদুল হামিদের সঙ্গে বসেছিলেন। তাকে স্পিকারের সঙ্গে কথাও বলতে দেখা যায়। এ সময় স্পিকারের আহ্বানে সাড়া দিয়ে সংসদে ফেরার বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাবের কথা জানান বিএনপি চেয়ারপারসন।

বক্তব্যের পর শেখ হাসিনা হেঁটে হেঁটে উপস্থিত অতিথিদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। অন্যদিকে খালেদা জিয়াও কুশল বিনিময় করেন অতিথিদের সঙ্গে। তবে দুজন দুই দিকে কুশল বিনিময় করায় তাদের মধ্যে দেখা হয়নি।

এরপর পৌনে ৫টার দিকে বিরোধীদলীয় নেতা অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন। প্রধানমন্ত্রী তখনও অনুষ্ঠানে ছিলেন।

দুই নেত্রীকে এক অনুষ্ঠানে সচরাচর দেখা না গেলেও বরাবরই সেনাকুঞ্জের অনুষ্ঠানে এক হতেন তারা। তবে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শেখ হাসিনা বরাবর যোগ দিয়ে এলেও গত দুই বছর সশস্ত্র বাহিনী দিবসের অনুষ্ঠানে যাননি বিএনপি চেয়ারপারসন।

সর্বশেষ ২০০৯ সালে সেনাকুঞ্জের অনুষ্ঠানে যোগ দেন খালেদা জিয়া। সরকারের তৎপরতায় সেনানিবাসের বাড়ি হারানোর পর ২০১০ ও ২০১১ সালে সেনাকুঞ্জের অনুষ্ঠানে তাকে দেখা যায়নি।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।