বিএমএ নির্বাচনে স্বাচিপ প্যানেলকে বিজয়ী ঘোষণা, ড্যাবে' র প্রত্যাখ্যান - খবর তরঙ্গ
শিরোনাম :

বিএমএ নির্বাচনে স্বাচিপ প্যানেলকে বিজয়ী ঘোষণা, ড্যাবে’ র প্রত্যাখ্যান



(খবর তরঙ্গ ডটকম)

ঢাকা , ১ ডিসেম্বর (খবর তরঙ্গ ডটকম)- বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থক চিকিৎসকদের সংগঠন স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের প্যানেলকে বিজয়ী ঘোষণা করেছে। শনিবার বিকালে ফল দেয়ার কথা থাকলেও সকালে কয়েকজন সাংবাদিককে ডেকে আকস্মিকভাবে ফল ঘোষণা করে বিএমএ নির্বাচন পরিচালনা কমিটি। ফল প্রত্যাখ্যান করে বিএনপি সমর্থক চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশের (ড্যাব) সংবাদ সম্মেলনের আগে সরকার সমর্থকদের জয়ের এই ঘোষণা এল। দুপুর ১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবে ড্যাবের সংবাদ সম্মেলন হবে।

ড্যাবের সংবাদ সম্মেলনের আগে তড়িঘড়ি করে এই ফল ঘোষণা হল কি না- জানতে চাইলে নির্বাচন কমিটির প্রধান আবদুর রহমান খান বলেন, “পূর্ণাঙ্গ ফলাফল আমাদের কাছে চলে আসায় ফল ঘোষণা করা হয়েছে।”

আবদুর রহমান খান শুক্রবার বিকালে সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, ৬৭টি কেন্দ্রের মধ্যে ৪৪টি কেন্দ্রের লিখিত ফল হাতে এসেছে। বাকি কেন্দ্রগুলোর লিখিত ফল এলে শনিবার বিকেলে চূড়ান্ত ফল ঘোষণা করা হবে।

নির্বাচন কমিটি জানিয়েছে, এবার ৩২ হাজার ৮৯২ জন ভোটারের মধ্যে ২৪ হাজার ২৭১ জন ভোট দিয়েছেন।

সভাপতি পদে স্বাচিপের প্রার্থী মাহমুদ হাসান ১৫ হাজার ৯৫৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। ড্যাবের প্যানেল থেকে সভাপতি প্রার্থী এ কে এম আজিজুল হক পেয়েছেন ৮ হাজার ২৭৩ ভোট।

স্বাচিপের মহাসচিব পদপ্রার্থী ইকবাল আর্সলান ১৪ হাজার ৯৫৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। এ পদে ড্যাবের এ জেড এম জাহিদ হোসেন পেয়েছেন ৮ হাজার ৮৭০ ভোট।

বিএমএ’র ৪১ সদস্যের কার্যকরি পরিষদের সবকটি পদেই মাহমুদ হাসান-ইকবাল আর্সলান প্যানেল বিজয়ী হয়েছে।

সাংগঠনিক সম্পাদক পদে বিজয়ী হয়েছেন উত্তম কুমার বড়–য়া। তিনি পেয়েছেন ১৪ হাজার ৬৪৯ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুল ওয়াহাব পেয়েছেন ৯ হাজার ২৫ ভোট।

কোষাধ্যক্ষ পদে ১৪ হাজার ৪৩৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন এহসানুল কবীর জগলুল। তার প্রতিদ্বন্দ্বী মোস্তাক রহিম স্বপন পেয়েছেন ৯ হাজার ৩১ ভোট।

ভোট গণনা শেষ হওয়ার আগেই বৃহস্পতিবার রাতে কারচুপির অভিযোগ এনে ফল প্রত্যাখ্যান করে ড্যাব। ড্যাবের মহাসচিব প্রার্থী জাহিদ সাংবাদিকদের বলেন, “এখানে ভোট চুরি নয়, ডাকাতি হয়েছে।”

একটি কেন্দ্রে ব্যালট বাক্সে মোট ভোটের চেয়ে ৩০১টি ব্যালট পেপার বেশি পাওয়া গেছে দাবি করে তিনি বলেন, “আমরা এই নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করছি। নতুন করে নির্বাচন দিতে হবে।”

তবে নির্বাচন কমিশনের সভাপতি আবদুর রহমান খান বলেন, “যথাযথভাবেই নির্বাচন হয়েছে। কোনো শাখা থেকে লিখিত ভাবে বা ফোনে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। প্রার্থীদের কাছ থেকে যেসব অভিযোগ পেয়েছি তার সমাধান করা হয়েছে।”

“ব্যালট পেপার বেশি পাওয়ার ঘটনাটি টেকনিক্যাল এরর। এটা পুরো নির্বাচনের ওপর প্রভাব ফেলবে না।”


পূর্বের সংবাদ