দল নিবন্ধনের আরেকটা সুযোগ আসতে পারে:নির্বাচন কমিশন - খবর তরঙ্গ
শিরোনাম :

দল নিবন্ধনের আরেকটা সুযোগ আসতে পারে:নির্বাচন কমিশন



ঢাকা, (খবর তরঙ্গ ডটকম)

রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন পেতে আগ্রহীদের আবেদনের জন্য আরেক দফা সুযোগ দিতে পারে নির্বাচন কমিশন।নতুন কয়েকটি দলের লিখিত আবেদন ও আদালতে রিট পিটিশনের পর ইসি সচিবালয়ের ‘নিবন্ধন যাচাই-বাছাই কমিটি’ সময় বাড়ানোর এই প্রস্তাব দেয়।নির্বাচন কমিশনার আবু হাফিজ বলেন, “সব কিছু পর্যালোচনা করে দুয়েকদিনের মধ্যে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব আমরা।”কমিশনের কর্তকর্তারা জানান, গত অক্টোবরে নিবন্ধন আবেদনের জন্য দুই মাসের সময় দিয়ে (৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত) গণবিজ্ঞপ্তি জারি করে ইসি। কমিশনের অনুমোদন পেলে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করা হবে।

নির্বাচন কমিশনার মো. শাহনেওয়াজ বলেন, “একবার সময় দেওয়া হয়েছিল, তা পেরিয়ে গেছে। নতুন করে সময় বাড়ানো নয়, বরং কমিশন পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে আরেকটা সুযোগ দিতে পারে।”

ইসি সচিবালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব ও নিবন্ধন বাছাই কমিটির সদস্য সচিব মেছবাহ উদ্দিন আহমদ জানান, কয়েকটি দলের আবেদন ও রিটের বিষয়টি বিবেচনার জন্যই আইন শাখার পরামর্শ ও বাছাই কমিটি এ প্রস্তাব দিয়েছে।

গত ২৬ ডিসেম্বর ওই গণবিজ্ঞপ্তির ওপর স্থগিতাদেশ চেয়ে রিট আবেদন হলে রুল জারি করে হাইকোর্ট। রাজনৈতিক দলের নিবন্ধনে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের সংশোধনী কেন সংবিধান বহির্ভূত ও অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয় ওই রুলে।

রিট আবেদন করা দলগুলোর মধ্যে রয়েছে- এনামুল হকের দেশপ্রেমিক মঞ্চ, মোজাম্মেল হোসেন শামীমের লোকদল, ওমর ফারুকের বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক পার্টি, রফিকুল ইসলামের স্বদেশ পার্টি, হোসেন মোল্লার গণ অধিকার পার্টি, ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ফ্রন্ট (বিএনএফ) ও কবির হোসেনের বাংলাদেশ লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (বিএলডিপি)।

এছাড়া সাংগঠনিক শর্তপূরণের জন্য বাংলাদেশ নিউ জেনারেশন পার্টি নামে আরেকটি সংগঠন ৩১ মার্চ পর্যন্ত আবেদনের সময় বাড়ানোর আবেদন করেছে কমিশনের কাছে।

ইসি কর্মকর্তারা জানান, গণবিজ্ঞপ্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের রিটের বিরুদ্ধে আইনি লড়াই চালানোরও প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসি সচিবালয়।

এর আগে ২০০৮ সালে নবম সংসদের আগে রাজনৈতিক দলের নিবন্ধনের উদ্যোগ নেয়া হয়। সে সময় ১১৭টি দল আবেদন করলে ৩৯টি দল নিবন্ধন পায়। পরে ফ্রিডম পার্টির নিবন্ধন বাতিল করা হয়।

এবার ৩১টি নতুন দল নিবন্ধন শর্ত মেনে কমিশনে আবেদন জমা দিয়েছে বলে জানান বাছাই কমিটির সদস্য সচিব মেছবাহউদ্দিন।

নির্বাচন কমিশনার শাহনেওয়াজ জানান, বিদ্যমান ৩৮টি দলের সাংগঠিক কার্যক্রম ও মাঠপর্যায়ের কার্যালয়, কমিটির হালনাগাদ অবস্থা তদারকিরও পরিকল্পনা রয়েছে কমিশনের।

পাশাপাশি নতুন করে আবেদন করা দলগুলো শুধুই ‘নাম ও প্যাডসর্বস্ব’ কি না- তাও যাছাই করা হবে।

শাহনেওয়াজ  বলেন, “অভিযোগ রয়েছে-অতীতে স্বল্প সময়ে অনেকে শর্তপূরণ করেছে, কিন্তু পরে আর মাঠে অফিস ও কমিটি পাওয়া যায়নি। আগামী নির্বাচনের আগে তার খোঁজ নেওয়া হবে।”


পূর্বের সংবাদ