দায়িত্বে বহাল রইলেন রাজউক চেয়ারম্যান পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেনি সরকার

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী নূরুল হুদার পদত্যাগপত্র সরকার তা গ্রহণ করেনি। ফলে তিনি তার দায়িত্বে বহাল রইলেন।সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রাজউক চেয়ারম্যান সচিবালয়ে গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আবদুল মান্নান খানের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকের পর প্রকৌশলী মো. নুরুল হুদা সাংবাদিকদের জানান, “শারীরিক অসুস্থতার কারণে আমি রোববার বিকেলে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলাম। চিকিৎসক আমাকে পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে বলেছেন।”  এ বিষয়ে আবদুল মান্নান খান বলেন, “চেয়ারম্যানের চাকরির মেয়াদ আছে আগামী মার্চ পর্যন্ত। বাকি সময়টা একসঙ্গে কাজ করব। প্রয়োজনে তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করব।”

গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বাকবিতণ্ডার পরিপ্রেক্ষিতে রোববার রাতে রাজউক চেয়ারম্যান প্রকৌশলী নূরুল হুদা পদত্যাগ করেন।  তবে পদত্যাগপত্রে ‘শারীরিক অসুস্থতা ও দায়িত্ব পালনে অক্ষমতার’ কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

জানা গেছে, রাজউক চেয়ারম্যান নূরুল হুদা রোববার গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আবদুল মান্নান খানের সঙ্গে উত্তরার প্রকল্প নিয়ে আলোচনা করেন। দুই হাজার ২০০ পরিবারের জন্য ওই প্রকল্পের কাজ কাকে দেয়া হবে-তা নিয়ে দু’জনের মধ্যে মতপার্থক্য দেয়া দেয়। মন্ত্রী চান, কাজটি শিকদার গ্রুপকে দেয়া হোক। কিন্তু রাজউক চেয়ারম্যান চাচ্ছেন, কাজটি সংসদ সদস্য নসরুল হামিদ বিপুকে দিতে। এ নিয়ে দু’জনের মধ্যে তর্কাতর্কি শুরু হয়। একপর্যায়ে দু’জনেই চরম বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। এক পর্যায়ে নূরুল হুদা তার পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে চলে আসেন।

২০০৯ সালের ৩০ মার্চ অতিরিক্ত সচিবের পদমর্যাদায় দুই বছরের জন্য রাজউকের চেয়ারম্যান পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পান প্রকৌশলী নূরুল হুদা। এরপর দুই দফায় তার মেয়াদ বাড়ানো হয়। সর্বশেষ গত বছর ২৭ ফেব্রুয়ারি তার চুক্তির মেয়াদ আরো এক বছরের জন্য বাড়ানো হয়েছে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।