সাত বছর পর প্রধান আসামি গ্রেপ্তার:মানবাধিকার কর্মী পাপিয়া হত্যা - খবর তরঙ্গ
শিরোনাম :

সাত বছর পর প্রধান আসামি গ্রেপ্তার:মানবাধিকার কর্মী পাপিয়া হত্যা



বরিশাল, (খবর তরঙ্গ ডটকম)

বরিশালে মানবাধিকার কর্মী দিলরুবা হক পাপিয়া হত্যাকাণ্ডের সাত বছর পর এ মামলার প্রধান আসামি নিহতের স্বামী মামুন মোর্শেদ তুহিনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।বুধবার রাতে বরিশাল শহরে বিএম কলেজ রোড এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে তুহিনকে (৩৮) গ্রেপ্তার করা হয় বলে র‌্যাবের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।র‌্যাব জানায়, রাত ৮টার দিকে তুহিনের বাসায়  অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্র ও দুই রাউণ্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। তাকে কোতোয়ালি থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

কানাডিয়ান ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট এজেন্সির (সিডা) কর্মী ও আইনজীবী পাপিয়া ২০০৫ সালের ৩ নভেম্বর শ্বশুরবাড়িতে খুন হন।

এর চারদিন পর সে বছর ৭ নভেম্বর নিহতের বড় বোন মাহবুবা হক কুমকুম বাদি হয়ে বরিশাল কোতোয়ালি থানায় এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা করেন। তখন পাপিয়ার স্বামী মাহবুব মোর্শেদ তুহিন ও ননদ ইসমত রায়হানা স্বপ্নাকে মামলায় আসামি করা হলেও পরে পুলিশের অভিযোগপত্রে স্বপ্নার মেয়ে রুপুর নামও অন্তর্ভুক্ত করা হয়। স্বপ্না ও রুপু বর্তমানে জামিনে আছেন।

 

পাপিয়া হত্যার পর দায়ীদের গ্রেপ্তার ও বিচার দাবিতে সোচ্চার হয় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলো।

গত তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে পাপিয়া হত্যা মামলার তদন্তভার সিআইডিকে দেয়া হয়। ২০১০ সালে মামলাটি বরিশাল জেলা দায়রা জজ আদালতে পাঠানো হয়। ওই বছরই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ মামলাকে চাঞ্চল্যকর মামলা হিসেবে তালিকাভুক্ত করে।

এর দুই বছর পর জেলা ও দায়রা জজ বরিশালের অতিরিক্তি জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালত মামলাটি বিচারের জন্য পাঠান। বর্তমানে ওই আদালতে এই মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে।

চাঞ্চল্যকর এ হত্যা মামলায় মোট ৫৩ জন সাক্ষী রাখা হয়েছে। তাদের মধ্যে আট জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।

গ্রেপ্তারের পর তুহিনকে কোতোয়ালি মডেল থানায় সোপর্দ করা হয়েছে জানিয়ে ওই থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) গোলাম কবির জানান, র‌্যাব বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে একটি মামলা করেছে।


পূর্বের সংবাদ