লংমার্চে বাধা দিলে পুরো চট্টগ্রাম অবরোধের ঘোষণা হেফাজতে ইসলামের

অভিযোগ করে বলেছেন জেলা থেকে ঢাকা অভিমুখে লংমার্চের কর্মসূচিতে যোগদানকারীদের বাধা দেয়া হচ্ছে। এতে চরম ক্ষোভে ফুঁসে উঠছে পুরো শহর। সকাল থেকে চট্টগ্রামের হাটহাজারী মাদ্রাসা ও জমিয়াতুল ফালাহ মসজিদে জড়ো হতে শুরু করেছে সংগঠনটির নেতাকর্মীসহ হাজারো ধর্মপ্রাণ মানুষ। লংমার্চে বাধা দিলে পুরো চট্টগ্রাম অবরোধের ঘোষণা দিয়েছেন তারা। প্রয়োজনে শহীদ হতেও প্রস্তুত রয়েছেন বলে জানিয়েছেন হেফাজতের নেতাকর্মীরা। ইতোমধ্যে তারা হুমকি দিয়েছে, গাড়ি বন্ধ রাখলে কিংবা কোনো ধরনের বাধা সৃষ্টি করলে চট্টগ্রামকে গোটা দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হবে।

বন্দর নগরীর সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে হেফাজতে ইসলামের সাহিত্য ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক মুফতি হারুন ইজহার  বলেন, ‘সরকার শান্তিপূর্ণ লংমার্চ সর্বশক্তি দিয়ে দমনের অপচেষ্টা করছে। পরিবহন মালিকদের গাড়ি বের না করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। গাড়ি বের করলে লাইসেন্স বাতিলের হুমকি দিয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘কিন্তু আমরা এই অপচেষ্টাকে সর্বশক্তি দিয়ে মোকাবেলা করব। প্রয়োজনে বৃহত্তর চট্টগ্রামকে সারা দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেব। আমাদের দাবি মেনে না নেয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। এতে শহীদ হতেও আমাদের কোনো দ্বিধা নেই।’

তবে হেফাজতের এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে স্থানীয় প্রশাসন। তাদের দাবি, লংমার্চে তাদের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের বাধা দেয়া হচ্ছে না। এ বিষয়ে কুলশী থানার ওসি আব্দুল লতিফ  বলেন, ‘লংমার্চে বাধা দেয়ার প্রশ্নই ওঠে না। বরং আমরা যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় সতর্ক রয়েছি।’

এ নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কে পরিবহন মালিকদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের কারও মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

তবে হানিফ, এস আলম, শ্যামলীসহ বেশ কয়েকটি পরিবহনের কাউন্টারে যোগাযোগ করা হলে জানানো হয়, ‘তাদের কিছু করার নেই। শনিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত গাড়ি বের না করতে উপরের নির্দেশ রয়েছে।’

হরতাল এবং লংমার্চ ঘিরে এ নির্দেশ জারি করা হয়েছে বলে জানান তারা।

 

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।