সংগ্রাম সম্পাদকের বিরুদ্ধে মামলা: ছাপাখানায় ‘আমার দেশ’

দৈনিক ‘আমার দেশ’ পত্রিকা ছাপাখানায় বেআইনিভাবেছাপানোর অভিযোগে দৈনিক সংগ্রাম সম্পাদক আবুল আসাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। একই অভিযোগে মামলায় আসামি করা হয়েছে আমার দেশ পাবলিকেশনের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মাহমুদা বেগমকে। এরআগে শনিবার রাতে সংগ্রামের ছাপাখানায় অভিযান চালায় পুলিশ। সে সময় আমার দেশ পত্রিকার ৬ হাজার কপি উদ্ধার ছাড়াও ১৯ জনকে আটক করে। সংগ্রাম পত্রিকা জামায়াতে ইসলামীর মুখপত্র বলে পরিচিত।

রমনা মডেল থানার এএসআই মোশারফ হোসেন মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেছেন, ‘সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (প্রকাশনা) নাসরীন সুলতানা সংগ্রামের ছাপাখানায় বেআইনিভাবে আমার দেশ মুদ্রণ এবং আমার দেশ প্রকাশ, প্রদর্শন ও বিক্রয় করার অপরাধে এ মামলা করেছেন।’

তিনি জানান, গতরাতে গ্রেপ্তার ১৯ জনকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

প্রিন্টিং প্রেসেস অ্যান্ড পাবলিকেশনস (ডিক্লারেশন অ্যান্ড রেজিস্ট্রেশন) অ্যাক্ট ১৯৭৩ এর ৩২ ও ৩৩ ধারা অনুযায়ী এ মামলা হয় বলে জানান মোশাররফ হোসেন।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার আমার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে গ্রেপ্তারের পর তেজগাঁওয়ে পত্রিকাটির ছাপাখানা সিলগালা করে দেয়া হয়েছিল।

স্কাইপ কথোপকথন প্রকাশ এবং রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে মাহমুদুর রহমানকে গ্রেপ্তারের পর তিনটি মামলায় ১৩ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।

সম্পাদককে গ্রেপ্তার এবং এরপর ছাপাখানা সিলগালা করে দেয়া হলেও শুক্র ও শনিবার সীমিত পরিসরে পত্রিকাটি বের হয়।

প্রেসেস অ্যান্ড পাবলিকেশন অ্যাক্ট অনুযায়ী একটি সংবাদপত্র কোনো ডিক্লারেশন পেলে তার জন্য ছাপাখানারও ডিক্লারেশন দেয়া হয়। ঘোষিত ছাপাখানার বাইরে অন্য কোথাও পত্রিকা ছাপাতে চাইলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিতে হয়।

দৈনিক সংগ্রামের উৎপাদন ব্যবস্থাপক খায়রুল ইসলাম বলেছেন, আমার দেশ কর্তৃপক্ষ ঢাকা জেলা ম্যাজিস্টেটের কাছ থেকে তাদের প্রেসে ছাপানোর অনুমোদন নিয়েছে বলে জানায়। সেজন্যই তারা তাদের প্রেসে পত্রিকাটি ছাপাচ্ছিলেন।


সম্পাদনা: শামীম ইবনে মাজহার,নিউজরুম এডিটর

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।