সোমবার ভোরে লালবাগ ছেড়েছে পুলিশ

ঢাকার লালবাগ এলাকা থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যরা সরে গেছে। রবিবার রাত ২টার দিকে বিপুলসংখ্যক পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবি ওই এলাকার হেফাজতের অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয় ঘিরে রাখে। একই সময়ে মতিঝিলে অবস্থান নেয়া হেফাজতের নেতাকর্মীদের সরিয়ে দিতে র‌্যাব, পুলিশ ও বিজিবি যৌথ অভিযান চালায়। এ সময় হেফাজতের নেতাকর্মীদের মধ্যে কার্যালয়ে অবস্থান নেয়া আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফীর গ্রেপ্তারের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

তবে রাতভর অবস্থান করে ফজরের আযান দেওয়ার পরপর সেখান থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা একে একে সরে স্থান ত্যাগ করে।

লালবাগে হেফাজতে ইসলামের অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এখন শুধুমাত্র আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী অবস্থান করছেন। আর তার সঙ্গে আছেন দ্বিতীয় সারির কতিপয় নেতা। কেন্দ্রীয় কাউকে দেখা যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, তারা গ্রেপ্তার এড়াতে আত্মগোপন করেছেন।

যারা আছেন তারা জানিয়েছেন, মতিঝিলের ঘটনায় আল্লামা শফী মর্মাহত। তিনি সোমবার দুপুরে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করবেন।

তবে রাতে আল্লামা শাহ শফীকে গ্রেপ্তার করার জন্য পুলিশ কার্যালয় ঘিরে রেখেছিল বলে বাংলাদেশ ছাত্র খেলাফতের সভাপতি আনসারুল হক ইমরান সংবাদ মাধ্যম কে জানিয়েছিলেন।

তিনি বলেন, ‘লালবাগের কার্যালয় ও এর আশপাশের এলাকা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘিরে রেখেছেন। যেকোনো সময় হয়তো হেফাজতের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফীকে গ্রেপ্তার হতে পারে বলে।’

উল্লেখ্য, রবিবার মধ্যরাতে যৌথবাহিনী মতিঝিল শাপলা চত্বরের সমাবেশস্থলে অভিযান চালায়। এ সময় ছত্রভঙ্গ হয়ে যায় হেফাজতকর্মীরা। তবে ঘটনাস্থলে অসংখ্য মানুষকে পড়ে থাকতে দেখা গেছে। এতে ধারণা করা হচ্ছে, পুলিশের গুলিতে বহু মানুষ হতাহত হয়েছেন।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।