৫ মে হেফাজতের কর্মসূচিতে দেশী-বিদেশী চক্রান্ত ছিল: প্রধানমন্ত্রী

“৫ মে হেফাজতের কর্মসূচিতে দেশী-বিদেশী চক্রান্ত ছিল বলে মন্তব্য করেছেন  আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।  হেফাজতের কাঁধে ভর দিয়ে বিএনপি আল্টিমেটাম দিয়েছিল। তারা মাদরাসার কোমলমতি ছাত্রদের ব্যবহার করে ক্ষমতায় যেতে চেয়েছিল। সরকার উৎখানের চক্রান্ত করেছিল। সঙ্গে বিদেশী চক্রান্ত তো ছিলই।”  শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের বর্ধিত সভার মুলতুবি বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দেশে সম্পদ থাকলে এমন হয়। আর আমরা তো সমুদ্র বিজয় করেছি। কিন্তু দেশের জনগণ সঙ্গে থাকলে কোনো চক্রান্ত ষড়যন্ত্রই সফল হয় না।”

তিনি বলেন, “আমরা দেশের মানুষের গণতান্তিক অধিকার ও ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিয়েছি। আমরা চাই দেশে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অব্যহত থাকুক। আওয়ামী লীগ সবসময় গণতন্ত্রের আন্দোলন ও সংগ্রামের পথেই চলেছে।”

নিজের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে স্মৃতিচারণ করে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, “আমি যখন দেশে ফিরি, তখন অনেকে ছিলেন যারা এখন বেঁচে নেই। আমি ৩২ বছরে দেশের মানুষের কাছ থেকে অকুণ্ঠ সমর্থন ও ভালোবাসা পেয়েছি, যা কখনো ভুলবার নয়।”

তিনি বলেন, “আমি যখন দেশে ফিরি, তখন ছিল ক্রান্তিকাল। তখন জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর খুনিদের পুনর্বাসন করেছিলেন। শুধু আমাকে হত্যা করার জন্যই নয়, রাজনীতি শেষ করার জন্য ’৭৫-র খুনিদের বারবার সামনে আনা হয়েছে।”

শেখ হাসিনা বলেন, “৭৫-পরবর্তী সময়ে ইত্তেফাকের মইনুল বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারী ফারুখ ও শাহরিয়ার রশীদদের নিয়ে একটি রাজনৈতিক দলও গঠন করেছিলেন। তারা ভেবেছিল, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর তার খুনিদের বারবার সামনে আনলে আমি রাজনীতিতে আসব না।”

সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আবদুল লতিফ সিদ্দিকী, বেগম মতিয়া চৌধুরী, সতীশ চন্ত্র রায়, অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।