ঐশী রহমানসহ তিনজনের বিরুদ্ধে আদালত চাজ গঠন

রাজধানীতে পুলিশের স্পেশাল  ব্রাঞ্চের (পলিটিক্যাল শাখা) ইন্সপেক্টর মাহফুজুর রহমান ও তার স্ত্রী স্বপ্না রহমান হত্যার ঘটনায় নিহত দম্পতির একমাত্র মেয়ে ঐশী রহমানসহ তিনজনের বিরুদ্ধে  আদালত চাজ গঠন করেছে। মঙ্গলবার মহানগর দায়রা জজ জহিরুল হক আসামি তিনজনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে আগামী ৫ জুন স্বাক্ষ্য গ্রহণের জন্য দিন ধার্য করেছে আদালত।

যাদের বিরুদ্ধে  চাজ গঠন করা হয়েছে তারা হলেন ঐশী, ঐশীর বন্ধু জনি ও রনি।গত ৯ ত্রপ্রিল ঢাকার মহানগর ম্যাজিস্টেট মারুফ হাসান এ চার্জশিট দুটি গ্রহণ করেন।
ম্যাজিস্ট্রেট চার্জশিট গ্রহণ করার পর মামলাটি বিচারের জন্য মহানগর দায়রা জজ আদালতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। পরে মহানগর দায়রা জজ ঐশীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে দেয়া চার্জশিটটি বিচারের জন্য রেখে দেন।
কাজের মেয়ে সুমির বিরুদ্ধে দেয়া চার্জশিট মামলাটি মহানগর প্রথম অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতে পাঠানো হয়েছে যা শিশু বিবেচনায় বিচার করা হবে। ২৫ মে চার্জ গঠনের শুনানির জন্য দিন ধার্য আছে।
৯ মার্চ ডিবির ইন্সপেক্টর আবুয়াল খায়ের মাতুব্বর ঢাকার সিএমএম আদালতে ঐশীসহ চারজনকে অভিযুক্ত করে পৃথক দু’টি চার্জশিট দাখিল করেন।
চার্জশিটভুক্ত অপর আসামিরা হলেন, ঐশীর বন্ধু জনি ও রনি। অন্যদিকে হত্যাকাণ্ডে সহযোগিতার অভিযোগে নিহত দম্পতির বাসার গৃহকর্মী সুমি আক্তারকে আসামি করে অন্য চার্জশিটটি দাখিল করা হয়।

বর্তমানে ঐশী কাশিমপুর কারাগারে ও সুমি গাজীপুরের কিশোরী সংশোধন কেন্দ্রে আছে।

২০১৩ সালের ১৬ আগস্ট রাজধানীর মালিবাগের চামেলীবাগে নিজেদের বাসা থেকে পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের (পলিটিক্যাল শাখা) ইন্সপেক্টর মাহফুজুর রহমান ও তার স্ত্রী স্বপ্না রহমানের ক্ষত-বিক্ষত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এর পরদিন ঐশী গৃহকর্মী সুমীকে নিয়ে পল্টন থানায় আত্মসমর্পণ করে।

গত বছরের ২৪ আগস্ট আদালতে খুনের দায় স্বীকার করে ঐশী জবানবন্দি দেয়। পরবর্তী সময়ে ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে স্বীকারোক্তি নেয়া হয়েছিল মর্মে উল্লেখ করে ৫ সেপ্টেম্বর এ স্বীকারোক্তি প্রত্যাহারের আবেদন করেন তার আইনজীবী প্রকাশ রঞ্জন বিশ্বাস  আদালত তা নথিভুক্ত রাখার নির্দেশ দেন।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।