উপজেলা নির্বানে এ পর্যন্ত বেসরকারি ফল: আ.লীগ-৪০, বিএনপি-২৭, জামায়াত-৭, অন্যান্য-৩

কেন্দ্র দখল, জালভোট আর ব্যাপক সহিংসতায় তৃতীয় ধাপে ৮১টি উপজেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এখন চলছে ভোট গণনা। আসতে শুরু করেছে ফলাফল।

শনিবার তৃতীয় ধাপে ব্যাপক অনিয়ম, কারচুপি ও সহিংসতার ঘটনা ঘটলেও কোনো উপজেলায় পুরোপুরি ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়নি।

সর্বশেষ ৮১টি উপজেলার মধ্যে ৭১টির বেসরকারি ফলাফল পাওয়া গেছে। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী ৩৬টি, বিএনপি ২৬টি, জামায়াত ৬টি, এলডিপি ১টি এবং জেএসএস সমর্থিত প্রার্থী ২টি উপজেলায় বিজয়ী হয়েছেন।

আওয়ামী লীগ:
আবদুস সোবহান (কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম), দিদারুল কবির রতন (ফেনীর দাগণভুঞা), মুজিবুর রহমান (বাগেরহাট সদর), শাহ-ই আলম (বাগেরহাটের মোড়লগঞ্জ), আবু সাঈদ (বাগেরহাটের রামপাল)।

আবুল হোসেন দফাদার (ফরিদপুর সদর), মোশাররফ হোসেন (ভোলা সদর), মোহাম্মদ মজনু (ময়মনসিংয়ের ধোবাউড়া), আনোয়ারুল ইসলাম (নওগাঁর পোরশা), আকুজার রহমান (নীলফামারী সদর), আবদুর রশীদ (চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ), কামরুল আহসান (নেত্রকোনা সদর), আবু জাহিদ (সিলেটের দক্ষিণ সুরমা), আইয়ুব আলী (কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর)।

রফিকুল ইসলাম (মৌলভীবাজারের বড়লেখায়), আশরাফ হোসেন খোকন (শেরপুরের শ্রীবরদী), সৈয়দ ফয়জুল আমিন (নড়াইলের লোহাগাড়া), আবুল কালাম আজাদ (জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ), আবুল হাশেম (শরীয়তপুর সদর), শামসুদ্দিন কালু (নাঙ্গলকোট), ফরিদুল ইসলাম (দিনাজপুর), আল-মামুন (চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড), তরিকুল আহসান (বরিশালের মুলাদী), গাজী গোলাম মোস্তফা (গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া), কামাল উদ্দিন আকন্দ (বাগেরহাটের শরণখোলা), ঈমান আলী (কুড়িগ্রামের রৌমারী)।

মীর ফারুক আহমেদ (টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী), শেখ ওয়াহিদুজ্জামান (সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ), খালেদ হোসেন (বরিশাল বাবুগঞ্জ), জাহাঙ্গীর আলম (কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া), শফিক আজিজ (ফরিদপুরের সদরপুর), ইসমাইল হক (শরীয়তপুরের নড়িয়া), পনির উদ্দিন আহমেদ (কুড়িগ্রাম সদর), এমএম জালাল উদ্দিন (ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা), এসএম চৌধুরী (রাঙামাটির কাউখালী) ও আবু তাহের (বাগেরহাটের মংলা)।

বিএনপি:
আবুল কালাম আজাদ (নোয়াখালীর সেনবাগ), আজিজুর রহমান (ময়মনসিংয়ের ফুলবাড়িয়া), সালাহউদ্দিন সরকার (কুমিল্লার তিতাস), ইঞ্জিনিয়ার শফিকুল ইসলাম (ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর), শামসুল আলম (সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ), আনোয়ারুল ইসলাম (চাপাইয়ের ভোলাহাট), মোহাম্মদ ইসহাক (রাজশাহীর গোদাগাড়ী), মিজানুর রহমান (কুমিল্লার বুড়িচং), আবু সাঈদ (রাজশাহীর চারঘাট)।

ওয়াহিদুজ্জামান (পিরোজপুরের নেসারাবাদ), আজিজুর রহমান (কুমিল্লার হোমনা), আবুল বাসার আকন্দ (ময়মনসিংয়ের ফুলপুর), এ এস ফেরদৌস আহমেদ (টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার), আজিজুর রহমান (ফরিদপুরের মধুখালী), খন্দকার লিয়াকত হোসেন (মানিকগঞ্জের ঘিওর), বাবর আলী (খুলনার পাইকগাছা)।

আইয়ুব আলী (লালমনিরহাটের আদিতমারী), বাদল আমিন (ফরিদপুরের চরভদ্রাসন), শরীফুল ইসলাম শরীফ (কিশোরগঞ্জ সদর) আ খ ম শফিকুল হক (নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ), শামসুল আলম (লক্ষ্মীপুরে কমলনগর), নুরুল ইসলাম (ঠাকুরগাওয়ের হরিপুর), কামরুজ্জামান কমল (জয়পুরহাটের আক্কেলপুর), আবদুল কুদ্দুছ (বান্দরবান সদর) আবুল কালাম আজাদ (বান্দরবানের আলী কদম) ও নুরুল মিল্লাত (কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর)।

জামায়াত:
সাইদুর রহমান (গাইবান্ধার সাদুল্লাহপুর), আজিজুর রহমান (চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা), আকরাম হোসেন (গাইবান্ধা সদর), মোহাম্মদ মঈনউদ্দিন (নওগার ধামুরহাট), কেরামত আলী (চাঁপাইয়ের শিবগঞ্জ) ও মোখলেসুর রহমান (চাঁপাই সদর)।

অন্যান্য:
জেএসএস (সন্তু): রাঙ্গামাটির বরকলে মনি চাকমা ও বাঘাইছড়িতে ধর ঋষি।

এলডিপি: চট্টগ্রামের চন্দনাইশ।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।