কক্সবাজার শহরের পূর্ব লারপাড়ায় ছিনতাইকারী চক্রের হামলায় আহত ৬

কক্সবাজার শহরের পূর্ব লারপাড়ায় সংজ্ঞবদ্ধ ছিনতাইকারী চক্রের হামলায় স্থানীয় শ্রমিকসহ ৬জন আহত হয়েছে। ১৭ মে শনিবার দুপুর দেড়টার দিকে বাসটার্মিনাল সংলগ্ন এলাকায় এঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে স্থানীয় শ্রমিক রুহেল মিয়া (২৩) পিতা আহমদ ছফা ছিনতাইকারীদের বেপরোয়া ছুরিকাঘাতে গুরুত্বর আহত হয়েছেন। তিনি সদর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন। অবস্থা আশঙ্কাজন দেখে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। এঘটনায় ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে আরোও আহত হয়েছেন পূর্ব লারপাড়ার হেফাজ উদ্দিনের পুত্র নুরুল আবছার, সাহাব উদ্দিনের পুত্র আব্দুল কাইয়ুম, ছাবের আহমদের পুত্র আব্দুল করিম, আব্দুল জলিলের পুত্র মঞ্জুর আলম ও আব্দুল হামিদ। আহতদের মধ্যে রুহেল মিয়ার শারীরিক অবস্থা গুরুতর আশঙ্কাজনক ও বাকীরা প্রাথমিক চিকিৎসা পরবর্তী শঙ্কামুক্ত রয়েছে।
প্রত্যদর্শীরা জানায়, একই এলাকার বেশ কয়েকজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও ছিনতাইকারী বিগত কয়েকমাস ধরে সীমাহীন নিপীড়ন শুরু করেছে। এদের উপদ্রব এতই বেড়েছে যে স্থানীয় জনসাধারণ অতিষ্ঠপ্রায়। এরই ধারাবাহিকতায় ১৭ মে শনিবার দুপুর দেড়টার দিকে স্থানীয় শ্রমিক রুহেল মিয়া তার পারিবারিক নগদ অর্থ বহনকালে ছিনতাইকারী চক্রের চিহ্নিত সদস্যরা হামলা চালায়। একপর্যায়ে রুহেল টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে ছুরিকাঘাত করে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। এসময় হামলাকারী ছিনতাইকারী সন্ত্রাসী চক্রের হাত থেকে রুহেলকে উদ্ধার করতে এসে স্থানীয় আরোও ৫জন শ্রমিক আহত হয়।
স্থানীয় সাইফুল ইসলাম, কায়সার হামিদ, সাইদুল ইসলাম, আব্দুর রহিম, রমজান আলী প্রকাশ টোকাই রমজান, নুরুল হুদা প্রকাশ জুনু, আব্দুল হামিদ মনু ও আনোয়ারুল ইসলাম তুষার হামলাকারী ছিনতাইকারী চক্রে ছিল বলে প্রত্যদর্শীরা জানায়।
এব্যাপারে কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজুর রহমানের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, ঘটনার ব্যাপারে অবগত আছি। শুনেছি সেখানে দুই গ্র“পের মাঝে সংঘর্ষ হয়েছে। এখনো পর্যন্ত কেউ অভিযোগ করেনি।
উল্লেখ্য, চিহ্নিত এসকল ছিনতাইকারী সন্ত্রাসীদের ব্যাপারে এরআগেও স্থানীয় পত্রিকায় বেশ কয়েকবার লেখালেখি হয়েছে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।