কুমিল্লা গণধর্ষণের আসামীরা চিহ্নিত হলেও কাউকে গ্রেফতার করছে না পুলিশ

কুমিল্লা বুড়িচং উপজেলার দেবপুরে কারাখানা শ্রমিক অসহায় কিশোরীকে জোরপূর্বক গণধর্ষণের ৯দিন অতিবাহিত। আসামীরা চিহ্নিত হলেও কাউকে গ্রেফতার করছে না পুলিশ। উল্টো ধামাচাপা দিতে এবং ঘটনা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে প্রভাব বিস্তার করছে প্রভাবশালী একটি মহল। প্রকাশ্যে ঘুরছে ধর্ষকরা অভিযোগ ভুক্তভোগী ধর্ষীতার। উল্টো মামলা তুলে নেওয়ার হুমকিতে আতঙ্কে রয়েছে ধর্ষিতার পরিবার।

গণধর্ষণের মূলহোতা বিল্লাল ও আলাউদ্দিন ভূইয়াকে ধরতে গড়িমশি করছে দেবপুর ফাঁড়ি ও থানা পুলিশ অভিযোগ ভুক্তভোগীদের। ভিকটিম জানায়, প্রতিদিন বিভিন্ন নম্বর থেকে তাকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে, ছোটবোন ও মাকে তুলে নিয়ে যাবে বলে ধর্ষকরা হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় ইউপি সদস্য জসিম মেম্বার ঘটনাটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য চার ধর্ষকের মধ্যে মনির হোসেনের নামে পুরো দোষ চাপাতে চেষ্টা করছে, কারণ মনির ভবঘুর, তার মা বাবা বেঁচে নেই। তাই তার ওপর দোষ চাপালে আসল অপরাধীরা সবাই বেঁচে যাবে।

এ বিষয়ে বুড়িচং থানার ওসি মনোজ কুমার দে সোমবার ২৩ জুলাই পূর্বপশ্চিমকে বলেন, আসামিদের গ্রেফতারের অভিযান অব্যহত আছে।

এবিষয়ে দেবপুর ফাড়ী পুলিশের আই সি ইউসুফ ফশিউল্লাহর সাথে আলাপ করে জানা যায়, মামলাটির দায়িত্ব এস আই শাহিন কাদির কে দেয়া হয়েছে। পুলিশ অপরাধিদের ধরতে নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছে বিভিন্ন জায়গায়। পালিয়ে থাকায় তাদের ধরা সম্ভব হচ্ছে না। আসামীদের গ্রেপ্তারে পুলিশের সব রকম চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলেও তিনি জানান।

উল্লেখ্য গত ১৭জুলাই রবিবার রাতে কর্মস্থল জিহান ফুটওয়্যার কোং থেকে ফেরার পথে বাড়িতে পৌছে দেয়ার কথা বলে মোটরসাইকেলে তুলে নেয় ধর্ষক। পরে দেবপুর এলাকার নির্জন একটি বাড়িতে নিয়ে যায় ঐ কিশোরী কে।

সেখানে নেয়ার পর ফোন করে তার ৩ বন্ধুকে ডেকে নিয়ে আসে। সেখানে ভয় দেখিয়ে তাকে ধর্ষকরা পালাক্রমে ধর্ষণ করে কিশোরী কে। এ নিয়ে মুখ খুললে প্রাণে মেরে ফেলা হবে বলেও হুমকি দেয়া হয় তাকে।