পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ কুমিল্লায় ২ ডাকাত নিহত, ৪ পুলিশ আহত

কুমিল্লায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ আল আমিন ও এরশাদ নামের ২ ডাকাত নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে জেলার তিতাস উপজেলার বাতাকান্দি-আসমানিয়া বাজার সড়কের নারায়ণপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
এ সময় ৪ ডিবি পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র ও গুলিসহ আরও ৫ ডাকাতকে আটক করেছে

 

অভিযানে অংশ নেয়া ডিবির এসআই শাহ কামাল আকন্দ জানান, ডাকাতি প্রতিরোধে ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসির উদ্দিন মৃধার নেতৃত্বে জেলার তিতাস এলাকায় ডিবির একটি টিম অবস্থান করছিল। গভীর রাতে ওই উপজেলার বাতাকান্দি-আসমানিয়া বাজার সড়কের নারায়নপুর কবরস্থানের সামনের রাস্তায় ডাকাতির প্রস্তুতির খবর পেয়ে ডিবির টিম সেখানে পৌঁছে।

কিন্তু ডিবি পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দল এলোপাথাড়ি গুলি ও ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। এক পর্যায়ে পুলিশও আত্মরক্ষায় ২১ রাউন্ড শটগানের গুলি চালায়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে ৭ ডাকাতকে আটক করা হয়। এদের মধ্যে মাথায় গুলিবিদ্ধ আল আমিন ও এরশাদ নামের ২ ডাকাতকে তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নেয়ার পর চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি আরও বলেন, ঘটনাস্থল থেকে ২টি দেশি এলজি, ৪ রাউন্ড কার্তুজ, ৩টি ছোরা, ৭টি মুখোশ ও ২টি লোহার রডের টুকরা উদ্ধার করা হয়েছে।

নিহত আল-আমিন (৩০) তিতাস উপজেলার উত্তর মানিকনগর গ্রামের খোরশেদ আলমের ছেলে এবং এরশাদ (৩২) জেলার বুড়িচং উপজেলার কংশনগর গ্রামের চরেরপাড় গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে।

আটক অপর ডাকাতরা হলেন, জেলার সদর উপজেলার ভাটপাড়া গ্রামের মৃত আবুল হোসনের ছেলে আরঙ্গজেব (৫০), সদর দক্ষিণ উপজেলার মিলন (৩৫), একই উপজেলার নাছির (২৭), তিতাসের শরীফুল (২৯) এবং মুরাদনগর উপজেলার আবু মিয়া (৪০)।

নিহত ডাকাত এরশাদের বিরুদ্ধে ৯টি এবং আল-আমিনের বিরুদ্ধে ৫টি ডাকাতি মামলা বিচারাধীন এবং আটক ডাকাতদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে ৩-৪ করে মামলা রয়েছে বলে ডিবি সূত্রে জানা গেছে।

নিহতদের মরদেহ শুক্রবার সকালে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে নেয়া হয়েছে।