লাকসামে দূর্গা উৎসবে সামনে রেখে ব্যস্ত মৃৎ শিল্পীরা

জগৎ জননী মহামায়া দেবী দুর্গা জানিয়ে দেয় আগমনী বার্তা। ঢাকের বাজনার হৃদয়ের মাঝে মৃদুস্বরে বেজে উঠছে অফুরন্ত আনন্দ। পুজোর আর প্রায় ১ মাস বাকী। দুর্গাপূজা আনুষ্ঠানিকভাবে বছরে দু’বার অনুষ্ঠিত হয়। একবার বসন্তকালে, আরেকবার শরৎকালে। বসস্তকালের দুর্গাপূজাকে বলা হয় বাসন্তী পূজা, আর শরৎকালের দুর্গাপূজাকে বলা হয় শারদীয় দুর্গাপূজা। তবে শরৎকালের শারদীয় দুর্গাপূজাই বাঙ্গালী সনাতনধর্মালম্বী হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসব।

 

কুমিল্লার লাকসামে হিন্দু সম্প্রদায়ের শারদীয় দুর্গা উৎসবকে সামনে রেখে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে বইছে খুশির আমেজ। পরিবারের জন্য অনেকেই শুরু করেছেন পূজার নিত্য নতুন কেনা-কাটা।
লাকসাম উপজেলায় এবার ৩১টি পূজা মন্ডপে মৃৎশিল্পীরা প্রতিমা তৈরীতে ব্যস্ত সময় পার করছেন, রং তুলির আঁচড়ে অপেক্ষায়।
পঞ্জিকা মতে হিন্দু সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ দুর্গা উৎসব আগামী ৯ অক্টোবর ষষ্ঠী তিথিতে দেবী দুর্গার বোধন, আমন্ত্রণ ও অধিবাসের মধ্য দিয়ে শুরু হবে ৫ দিনব্যাপী এ ধর্মীয় উৎসবে লাকসামের পূজা মন্ডপগুলোতে চলছে দুর্গা উৎসবের ব্যাপক প্রস্তুতি।

 

লাকসাম কালি বাড়ি, উত্তর বাজার বণিক্য বাড়ি, জগন্নাথ দেবালয়, সুভাষ বনিকের বাড়ি, রাজ রাজেস্বরী মন্দির, পশ্চিমগাঁও সাহা পাড়া, ধামৈচা, জেলে পাড়া, মিশ্রী, জংশন মেডিকেল কলোনী, উদইর, উত্তর গাজীপুর, চুনাতিসহ এবার ৩১ টি মন্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হবে। বিভিন্ন পূজা মন্ডপে স্থানীয় ও দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা মৃৎশিল্পীরা রাত-দিন প্রতিমা তৈরীর কাজ প্রায় শেষ, এখন রং তুলির আঁচড় তোলার অপেক্ষায়।

 

লাকসাম উপজেলা পূজা উদ্যাপন কমিটি জানায়, গতবারের চেয়ে এ বছর আরও জাঁকজমকপূর্ণভাবে শারদীয় দুর্গা উৎসব পালিত হবে। এরই মধ্যে সকল আয়োজন সম্পন্নের পথে। এ ছাড়াও জানা যায়, শারদীয় দুর্গা উৎসবকে সামনে রেখে উপজেলা ও পুলিশ প্রসাশনের পক্ষ থেকে নেয়া হবে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা।