লাকসামের ক্যান্সারে আক্রান্ত পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন দানবীর মিজানুর রহমান সুমন ও পিন্টু খান - খবর তরঙ্গ
শিরোনাম :

লাকসামের ক্যান্সারে আক্রান্ত পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন দানবীর মিজানুর রহমান সুমন ও পিন্টু খান



লাকসাম প্রতিনিধি, (খবর তরঙ্গ ডটকম)

সম্প্রতি ‘‘লাকসামে ক্যানসারে আক্রান্ত একই পরিবারের ৩সদস্যের বাঁচার আকুতি’’ শিরোনামে স্থানীয় সাপ্তাহিক ও জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে অনুপ্রাণিত হয়ে লাকসামের হতদরিদ্র সাজু মিয়ার পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন লাকসাম-মনোগঞ্জের আলোচিত ব্যাক্তি, সৌদি আরবের বিশিষ্ট ব্যভসায়ি, দানবীর মিজানুর রহমান সুমন এবং উপজেলার নরপাটি গ্রামের কৃতি সন্তান, সোদি প্রবাসী এনামুল কবির খাঁন পিন্টু (পিন্টু খান)। ক্যান্সারে আক্রান্ত সাজু মিয়া ও তার দুই মেয়ের চিকিৎসা খরচ বাবদ দানবীর মিজানুর রহমান সুমন এবং প্রবাসী পিন্টুর প্রেরিত আর্থিক অনুদান সাজু মিয়া ও তার দুই সন্তানের হাতে তুলে দেন লাকসাম প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এড. রফিকুল ইসলাম হিরা, সময়ের দপর্ণ নির্বাহী সম্পাদক ফারুক আল-সারাহ, নকশী বার্তার বার্তা সম্পাদক মোজাম্মেল হক আলম, কবি মোঃ ইব্রাহিম খলিল, আমজাদ হাফিজ, ছাত্রনেতা সোহাগ এবং পিন্টু খানের পক্ষে তার সহোদর  ভাই আহসানুল কবির মামুন। এর আগেও বেশ কয়েকবার লাকসাম ও আশপাশের এলাকার হতদরিদ্র মানুষের পাশে নীরবসেবীর ভূমিকা রেখেছিলেন প্রচারবিমুখ মিজানুর রহমান সুমন এবং পিন্টু খান।

 

আর্থিক অনুদানের বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশের ক্ষেত্রে অনীহা প্রকাশ করে প্রবাসী পিন্টু খাঁন বলেন, ‘আমাদের প্রিয়নবী (সাঃ) বলেছেন, যে ব্যক্তি মানুষের উপর রহম করে না, আল্লাহ্ও তার উপর রহম করে না। আমি পরম করুনাময় আল্লাহ্র রহমতের ভিখারী; তাই রহমত প্রাপ্তির আশায় সাধ্য অনুযায়ী আল্লাহ্র বান্দাদের পাশে দাঁড়ালাম।’

 

উল্লেখ্য, সাজু মিয়া কুমিল্লার লাকসাম পৌর এলাকার ৯নং ওয়ার্ড উত্তরকুল গ্রামের বাসিন্দা। সে এবং তার মেয়ে রুবি ও রূপা ক্যান্সারে আক্রান্ত। বিগত ৪বছর পূর্বে সাজু মিয়ার স্ত্রী ফরিদা বেগমও ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।


এ সম্পর্কিত আরো খবর

কুমিল্লা এর অন্যান্য খবরসমূহ
লাকসাম এর অন্যান্য খবরসমূহ
পূর্বের সংবাদ