কুমিল্লায় চলন্ত গাড়ির নিচে ঝাঁপ দিয়ে নারীর আত্মহত্যা

কুমিল্লার চান্দিনায় চলন্ত গাড়ির নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছে শাহিনুর আক্তার (২৫) নামে এক নারী। শনিবার (১০ নভেম্বর) বিকাল ৪টায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চান্দিনা উপজেলার গোবিন্দপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত শাহিনুর আক্তার চান্দিনা উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের ভ্যানচালক আব্দুল আহাদের স্ত্রী। প্রত্যক্ষদর্শী আশরা গ্রামের রোশমত আলী জানান, বিকাল অনুমান পৌঁনে ৪টার দিকে ওই নারী প্রথমে ঢাকা লেনের একটি গাড়ির নিচে ঝাঁপ দেওয়ার সময় গোবিন্দপুর গ্রামের বশির ভূইয়াসহ আরও কয়েকজন তাকে আটক করে বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়।তার কিছুক্ষণ পর ঘুরে এসে চট্টগ্রাম লেনের একটি কাভার্ডভ্যানের নিচে ঝাঁপ দেয় ওই নারী। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্বামীর সঙ্গে পারিবারিক কলহের জের ধরে আত্মহত্যা করে দুই সন্তানের জননী শাহিনুর।

 

হাইওয়ে পুলিশ ময়নামতি ক্রসিং থানার উপ-পরিদর্শক (এস.আই.) আলাউদ্দিন জানান, খবর পেয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করেছি। স্থানীয়রা জানায় সে আত্মহত্যা করেছে।

 

এদিকে কুমিল্লা-শংকুচাইল-সালদা সড়কের বুড়িচং উপজেলার ছয় গ্রাম বাজার এলাকায় শুক্রবার ভোর ৬টায় বেপয়ারা দ্রুত গতির কুমিল্লা গামী একটি সিএনজি চালক এক হাতে কানে মোবাইল লাগিয়ে কথা বলতে বলতে পিছন থেকে তিন পথচারীর উপর সিএনজি চড়িয়ে দিলে একজন চিকিৎসাধীনে মারা যায় এবং আহত ২ জন হসপিটালে ভর্তি।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায় শুক্রবার সকালে উপজেলার বাকশীমূল ইউনিয়নের মীরপুর গ্রামের নাবালক মিয়ার ছেলে সবজি বিক্রেতা আব্দুল মান্নান (৩৫), একই এলাকার চারু মিয়া অজ্ঞাত ১ মহিলা কুমিল্লা -–সালদা নদী সড়কের পাশ দিয়ে স্থানীয় ছয় গ্রাম বাজারে যাওয়ার পথে পিছন থেকে কুমিল্লা গামী বেপয়ারা দ্রুত গতির একটি সিএনজি তাদেরকে চাপা দেয়।

 

এসময় ৩ পথ চারী ঘটনাস্থলে মারাত্মক ভাবে আহত হয়। স্থানীয়রা আরো জানায় পিছন থেকে ছেড়ে আসা দ্রুত গতি সিএনজি চালক এক হাতে কানে মোবাইল দিয়ে কথা বলতে বলতে পিছন থেকে সিএনজিটি হঠাৎ তাদের উপর চড়িয়ে দেয়।

 

তাদের আত্ম চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে উদ্ধার করে কুমিল্লার বিভিন্ন হাসপাতালে প্রেরন করে। এদিকে মারাত্মক আহত আব্দুল মান্নানকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা প্রেরন করে। বিকালে ঢাকা রামপুরা একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীনে তিনি মারা যান।

 

অন্য আহতরা হল ছয় গ্রাম বাজারের চা দোকানী এবং মীরপুর গ্রামের বাসিন্দা মো: চারু মিয়া (৬০) এবং আহত অপর মহিলার (৪৫) পরিচয় পাওয়া যায়নি। এঘটনার পর পর নম্বর বিহীন সিএনজি চালক একই ইউনিয়নের আনন্দ পুর গ্রামের মৃত তোতা মিয়ার ছেলে শাহ জাহান (৩৫) পালিয়ে যায়।