কুমিল্লাবাসীর জন্য সংসদে সুখরব দিলেন রেলমন্ত্রী! - খবর তরঙ্গ
শিরোনাম :

কুমিল্লাবাসীর জন্য সংসদে সুখরব দিলেন রেলমন্ত্রী!



অনলাইন ডেস্ক, (খবর তরঙ্গ ডটকম)

দেশে প্রথমবারের মতো বুলেট ও ইলেকট্রিক ট্রেন চালুর উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। বুলেট ট্রেন চালু হলে মাত্র ৫৭ মিনিটে ঢাকা থেকে কুমিল্লা ও লাকসাম হয়ে চট্টগ্রাম যেতে পারবেন যাত্রীরা।

এরই মধ্যে এ সংক্রান্ত একটি সমীক্ষা প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। সোমবার জাতীয় সংসদে পৃথক দুটি প্রশ্নের জবাবে এসব তথ্য জানান রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন।

মোহাম্মদ সাহিদুজ্জামানের এক প্রশ্নের জবাবে রেলমন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী ঢাকা-চট্টগ্রাম ভায়া কুমিল্লা লাকসাম দ্রুতগতির রেলপথ নির্মাণের জন্য সম্ভাব্যতা সমীক্ষা এবং বিশদ ডিজাইন শীর্ষক একটি সমীক্ষা প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।

২০১৭ সালের ১৮ মার্চ সমীক্ষা প্রকল্পটি অনুমোদিত হয়। গত বছরের ৩১ মে পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি সম্পাদন করা হয়েছে।

বর্তমানে সমীক্ষাটি চলমান রয়েছে। এটি সম্পন্ন হলে প্রথমবারের মতো ঢাকা-চট্টগ্রামের মধ্যে দ্রুতগতির বুলেট ট্রেন চালু হবে।

এটি সমাপ্ত হলে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত মাত্র ৫৭ মিনিট এবং বিরতি দিয়ে ৬৯ মিনিটে যাওয়া সম্ভব হবে বলেও জানান রেলমন্ত্রী।

এছাড়া ঢাকা-খুলনা ও ঈশ্বরদী-রাজশাহী রুটে এবং জয়দেবপুর-ময়মনসিংহ ও জয়দেবপুর-টাঙ্গাইলে এলিভেটেড রেলওয়ে নির্মাণে প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

ইলেকট্রিক ট্রেন রেলের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বিষয়ে মন্ত্রী জানান, দেশে বৈদ্যুতিক ট্রেন চালুর জন্য রেলওয়ের গৃহীত মহাপরিকল্পনার আওতায় টঙ্গী-চট্টগ্রাম সেকশনে ইলেকট্রিক ট্রাকশন প্রবর্তনের জন্য সম্ভাব্যতা সমীক্ষা, নারায়ণগঞ্জ-জয়দেবপুর, আখাউড়া-সিলেট, জয়দেবপুর-ঈশ্বরদী-খুলনা এবং ঈশ্বরদী-পার্বতীপুর সেকশনে ইলেকট্রিক ট্রাকশন প্রবর্তনের জন্য সম্ভাব্যতা সমীক্ষা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

দিদারুল আলমের অপর এক প্রশ্নের জবাবে রেলমন্ত্রী বলেন, ২০০৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত মোট ১ লাখ আট হাজার ৬১৬ কোটি ব্যয়ে ৮১টি নতুন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। যার মধ্যে ৬৪টি প্রকল্প শেষ হয়েছে। ২০১৮-১৯ সালে আরএডিপিতে বাংলাদেশ রেলওয়েতে ৪৫টি বিনিয়োগ ও ৩টি কারিগরি সহায়তা প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।

রেলমন্ত্রী বলেন, রেলওয়েকে যুগোপযোগী গণপরিবহনে রূপান্তরিত করার লক্ষ্যে একটি মাস্টারপ্ল্যান তৈরি করা হয়েছে। ২০ বছরমেয়াদি এ প্রকল্পটি চারটি ফেজে ২০৩০ সালের জুন মাসে শেষ হবে। এ জন্য ২ লাখ ৩৩ হাজার ৯৪৪ কোটি ২১ লাখ টাকা ব্যয়ে ২৩৫টি প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত করা ছিল।

এ মাস্টারপ্লানটি হালনাগাদ করা হয়েছে এবং গত বছরের ২৯ জানুয়ারি তাতে সরকার অনুমোদন দিয়েছে। নতুন অনুমোদিত এ মহাপরিকল্পনায় ২০১৬ সালের জুলাই থেকে ২০৪৫ সালের জুন পর্যন্ত ছয়টি ফেজে বাস্তবায়নের জন্য ৫ লাখ ৫৩ হাজার ৬৬২ কোটি ব্যয়ে মোট ২৩০টি প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর

কুমিল্লা এর অন্যান্য খবরসমূহ
পূর্বের সংবাদ
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮