মনোহরগঞ্জে প্রবাসীকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়ার অভিযোগ - খবর তরঙ্গ
শিরোনাম :

মনোহরগঞ্জে প্রবাসীকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়ার অভিযোগ



মনোহরগঞ্জ (কুমিল্লা), (খবর তরঙ্গ ডটকম)

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে আব্দুর রহিম মজুমদার নামের এক প্রবাসীকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার মৈশাতুয়া ইউনিয়নের হাজীপুরা গ্রামে। ভুক্তভোগী প্রবাসী আব্দুর রহিম মজুমদার হাজীপুরা মজুমদার বাড়ির মৃত আব্দুল মতিন মজুমদারের ছেলে। এ বিষয়ে গতকাল বুধবার মনোহরগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।


অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২ নভেম্বর শনিবার বাহরাইন থেকে ছুটিতে বাড়িতে আসেন আব্দুর রহিম মজুমদার। ৩ নভেম্বর রোববার সকালে একই গ্রামের মৃত আবুল খায়েরের ছেলে মৈশাতুয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সভাপতি মোঃ ইউসুফ (৩২), ওমর আলীর ছেলে ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবুল খায়ের (২৫), মৃত আব্দুল আজিজের ছেলে ২ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি মোঃ আব্দুল মালেক (২৮), পাশ্ববর্তী সমশেরপুর গ্রামের জয়নাল আবেদীনের ছেলে ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সভাপতি মোঃ আব্দুল আউয়াল (৩০), আব্দুল মতিনের ছেলে মোঃ ফজলুল হক, মৃত সুলতান আহমেদের ছেলে মোঃ খোকন (৩০) সহ অজ্ঞাত কয়েকজন দলবদ্ধ হয়ে প্রবাসী আব্দুর রহিমের বাড়িতে এসে তাকে বিভিন্ন ধরণের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে তার কাছে মোটা অংকের টাকা দবি করে। টাকা না দিলে বাড়িতে আগুন লাগিয়ে সপরিবারে উচ্ছেদ করার হুমকি দেয় তারা। পরদিন ৪ নভেম্বর সোমবার দিবাগত রাতে তারা পুনরায় দলবদ্ধ হয়ে প্রবাসী আব্দুর রহিমের বাড়িতে গিয়ে তাকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে ডাকাডাকি করতে থাকে। তিনি বাড়িতে না থাকায় তার মাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে সপরিবারে বাড়ি ছেড়ে চলে যেতে বলে। নচেৎ বাড়িতে আগুন লাগিয়ে উচ্ছেদ করা হবে এবং আব্দুর রহিমকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে দেয়া হবে বলে অভিযুক্তরা হুমকি দেয়। এঘটনার পর হুমকিদাতাদের ভয়ে আতংকে রয়েছেন প্রবাসী আব্দুর রহিম ও তার পরিবার। গতকাল বুধবার তিনি বাদী হয়ে মনোহরগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
ভুক্তভোগী প্রবাসী আব্দুর রহিম বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তিদের নির্দীষ্ট কোনো পেশা নেই।


তারা এলাকায় বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জড়িত। প্রবাসীরা বাড়িতে এলেই তাদেরকে ভয়ভীতি দেখিয়ে তারা মোটা অংকের চাঁদা দাবি করে। কিছুদিন আগে হাজীপুরা গ্রামের মৃত রুহুল আমিনের ছেলে দুবাই প্রবাসী ইউসুফ বাড়িতে এলে তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে তারা মোটা অংকের চাঁদা দাবি করে। এক পর্যায়ে তাদের নির্যাতন সইতে না পেরে ছুটি শেষ হওয়ার আগেই সে পুনরায় প্রবাসে পাড়ি জমায়। একই গ্রামের আবুল খায়েরের ছেলে সৌদি প্রবাসি আল-আমিন বাড়িতে এলে তার কাছেও চাঁদা দাবি করা হয়। বেশ কয়েকদিন এ নিয়ে এলাকায় উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজের পর টাকার বিনিময়ে উভয় পক্ষ সমঝোতায় আসে। বর্তমানে আমাকেও একই ভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। টাকা না দিলে আমাকে খুন করার হুমকি দেয়া হয়েছে। আমি এবং আমার পরিবারের সদস্যরা আতংকে রয়েছি। আমরা এ পরিস্থিতি থেকে মুক্তি চাই।


কুমিল্লা এর অন্যান্য খবরসমূহ
মনোহরগঞ্জ এর অন্যান্য খবরসমূহ