নাঙ্গলকোটে ফসলি জমি দখল করে রাস্তা নিমার্ণের অভিযোগ - খবর তরঙ্গ
শিরোনাম :

নাঙ্গলকোটে ফসলি জমি দখল করে রাস্তা নিমার্ণের অভিযোগ



কেফায়েত উল্লাহ মিয়াজী, (খবর তরঙ্গ ডটকম)

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে ফসলি জমি দখল করে রাস্তা নির্মাণ নিয়ে দু’ পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ উঠেছে। সোমবার উপজেলার মক্রবপুর ইউনিয়নের ভুলুয়াপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ভুলুয়াপাড়া গ্রামের মৃত নুরুল ইসলাম খানের ছেলে প্রবাসী মিজানুর রহমান খান তার পিতা থেকে ক্রয় সূত্রে বি.এস ৬৮৬ দাগে ৪২ শতক জমির মালিক হয়। একই দাগে তার ভাই জহির খান ১২ শতক সম্পত্তির মালিক। জহির তার মালিকানা ১২ শতক থেকে একই জমিনের চার পাশে কয়েকটি কবলা সৃষ্টি করে সামাজিক শৃংখঙ্খলা নষ্ট করে আসছে। এনিয়ে তার প্রবাসী বড় ভাই মিজানের স্ত্রী ফরিদা ইয়াসমিন বাদী হয়ে কুমিল্লার আদালতে মামলা ও নাঙ্গলকোট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে । কিন্তু জহির আদালতের মামলার তোয়াক্কা না করে জোর পূর্বক ওই জমিতে অন্য লোকের জন্য নতুন রাস্তা নির্মাণ করে।



প্রবাসী মিজানের স্ত্রী ফরিদা জানান, তার স্বামী মিজান খান ২০০৬ সালে ৬৮৬ দাগে তার শ্বশুর মৃত নুরুল ইসলামের নিকট থেকে ৪২ শতক জায়গা ক্রয় করে । মিজান দখল নেন ওই ফসিল জমির উত্তর পাশে এবং জহির দখল নেন দক্ষিণ পাশে। জহির ইতিপূর্বে দক্ষিণ পাশে ভুলুয়া পাড়া গ্রামের আইয়ৃব মিয়ার নিকট ২ শতক জমি বিক্রি করে এবং ওই দলিলের চৌহদ্দিতে সে দক্ষিণে দাতা নিজ লিপিবদ্ধ করে। কিন্তু সে পরে তার ভাই মিজানের দখলিয় উত্তর পাশে একই গ্রামের শফিকুর রহমানের নিকট আরো ২ শতক জমি বিক্রি করে এবং এর পর অপর পাশ গুলোতে তার স্ত্রীর নামে কবলা সৃষ্টি করে। এনিয়ে নিয়ে দেবর জহিরের বিরুদ্ধে ফরিদা আদালতে মামলা ও নাঙ্গলকোট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সোমবার সকালে জহির ও জমি ক্রেতা শফিক জোর পূর্বক ওই ফসিল জমির মধ্যে ভ্যাকু মেশিন দিয়ে মাটি কেটে রাস্তা তৈরি করেন। জমি দখল করে রাস্তা নিমার্ণে বাঁধা দিলে ফরিদাকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি ধমকি দিয়ে আসছে বলেও জানান তিনি।



জহির বলেন, আমার ১২ শতক জায়গা মধ্যে একটি পরিবারের বাড়িতে চলাচলের রাস্তা না থাকায় ২ শতক জায়গা বিক্রি করি। ওই জায়গায় তারা রাস্তা তৈরি করছে। এতে উল্টো আমার ভাবি ফরিদা অন্যায় ভাবে তাদের কাজে বাঁধা দিচ্ছেন।



এ ব্যাপারে শফিকুর রহমান বলেন, আমার বাড়িতে চলাচলের রাস্তা না থাকায় ৪ লাখ টাকা দিয়ে জহিরের নিকট থেকে ২ শতক জায়গা ক্রয় করি৷ তাই ওই জায়গায় একটি নতুন রাস্তা তৈরি করছি।



নাঙ্গলকোট থানা পুলিশের উপ পরিদর্শক সোহেল মিয়া বলেন, সংঘর্ষের আশংকা থাকায় অফিসার ইনচার্জের (ওসি) নির্দেশে আমি ঘটনাস্থলে যাই। যদি আদলতে মামলা থাকে তাহলে উভয় পক্ষকে আদালতের মাধ্যমে বিষয়টি মিমাংসা করতে আমি অনুরোধ করেছি।


এ সম্পর্কিত আরো খবর

কুমিল্লা এর অন্যান্য খবরসমূহ
নাঙ্গলকোট এর অন্যান্য খবরসমূহ