লাকসামে শ্লীলতাহানী ঘটনায় কিশোরী ও পরিবারকে অভিযোগ তুলে নিতে হুমকি - খবর তরঙ্গ
শিরোনাম :
২টি অভিযোগের ২০দিন পার হলে অভিযুক্তকে আটক করতে পারেনি পুলিশ

লাকসামে শ্লীলতাহানী ঘটনায় কিশোরী ও পরিবারকে অভিযোগ তুলে নিতে হুমকি



স্টাফ রিপোর্টার, (খবর তরঙ্গ ডটকম)

কুমিল্লার লাকসামে এক কিশোরীর শ্লীলতাহানী ঘিরে প্রায় ২০ দিন অতিবাহিত হলেও অভিযুক্তকারীরদের গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার বাকই ইউপির বরইগাঁও গ্রামে।

এ ব্যাপারে ভুক্তভোগি পরিবার থানায় একই গ্রামের হাকিম আলির ছেলে ফরহাদ, কোরবান আলী, হাকিম আলী বিরুদ্ধে পৃথক পৃথক ২টি অভিযোগ দায়ের করেছে । দুইটি অভিযোগ হওয়ায় গত কয়েকদিন ধরে কিশোরী ও তারপরিবারদেকে মারধর ও প্রান নাশের হুমকি দিয়ে আসছে অভিযুক্তকারীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন ভুক্তভোগী ওই পরিবারটি।


ওই কিশোরীর বাবা আবদুল বারেক জানান, আমার মেয়ে বিয়ে ঠিক হয়েছে। হঠাৎ এ ঘটনায় আমার পুরো পরিবার বাকরুন্ধ। থানায় পৃথক-পৃথক দুটো অভিযোগ দায়ের করার পরও অভিযুক্ত ফরহাদ সহ অপররাপর অভিযুক্তরা গ্রেফতার হচ্ছেনা। আসামী গেস্খফতার না হওয়ায় আমি এবং আমার পরিবারের নিরাপত্তাহীনতা ভুগছি। থানা সহ এলকার গন্যমান্য ব্যক্তিদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে আজ আমি ক্লান্ত। গরীব হওয়ার কারনে মেয়ে শ্লিলতাহানী ও আমাদের উপর হামলার বিচার পাচ্ছিনা। উল্টো বিবাধী পক্ষ মামলা তুলে নেয়ার জন্য প্রাননাশ সহ নানাহ ভয়বিথী দেখাচ্ছে।


অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, উপজেলার বাকই ইউপির বরইগাঁও গ্রামে গত ১৫ই জুলাই আবদুল বারেক মিয়ার বশত বাড়ীর কিছুটা দূরে ধানি জমিতে তার কন্যা (১৬) আগাছা পরিস্কার করে আসছিলো। কাজের শেষে ওই কিশোরী পাশ্ববর্ত্তি মৎস্য বেড়ির পাড়ে বিশ্রাম নিতে গেলে হঠাৎ করে একই পাড়ার হাকিম আলীর ছেলে ফরহাদ হোসেন ওই কিশোরীর পিছন থেকে আক্রমন করার চেষ্টা করে। মেয়েটি প্রতিবাদ করলে ফরহাদ হোসেন মেয়েটিকে এলোপাথায়ী ভাবে মারধর ও শরিরের জামা ছিড়ে শ্লিলতাহানীর চেষ্টা করে। এ সময় কিশোরীর আত্মচিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে লম্পট ফরহাদ পালিয়ে যায়। স্বজনরা কিশোরীকে লাকসাম সরকারী হাসপাতালে ভর্ত্তি করেন। এব্যাপারে কিশোরীর পিতা আঃ বারেক বাদী হয়ে গত ১৬ই জুলাই ফরহাদ হোসেনকে অভিযুক্ত করে লাকসাম থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।


কিশোরী শ্লিলতাহানী চেষ্টা ঘটনায় থানায় অভিযোগ প্রেক্ষিতে গত ২৫শে জুলাই আসামী পক্ষের লোকজন কিশোরী তার পিতা আঃ বারেকের উপর অত:র্কিত ভাবে হামলা চালায়। এবং অভিযোগ তুলে নেওয়ার জন্য প্রাণ নাশ সহ নানাহ ভয়বিথী দেখায়। খবর পেয়ে স্বজনরা ঘটনাস্থলে এসে আহত বারেক মিয়াকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্ত্তি করেন। এ ব্যাপারে বারেকের কন্যা বাদী হয়ে ৬জনকে অভিযুক্ত করে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে।


এ ব্যাপারে ওয়ার্ড মেম্বার রমিজুল হক জানায়, স্থানীয় ভাবে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। একাদিক বার ছেলের পক্ষকে ডাকার পরও কেউ আসেনি। শুনেছি মেয়ের পিতা বারেক মিয়া ও তার মেয়ে বাদী হয়ে থানায় পৃথক পৃথক ২টি ঘটনায় অভিযোগ দায়ের করেছে। দীর্ঘ ২০দিন পার হলেও অভিযুক্তরা গ্রেফতার না হওয়ায় পুলিশের ভূমিকা আজ এলাকার জনমনে অনেকাটাই প্রশ্ন বিদ্ধ।


এ বিষয়ে লাকসাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ নিজাম উদ্দীন বলেন, থানা পৃথক পৃথক ২টি ঘটনায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তদন্ত স্বাপেক্ষে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।


উপজেলা এর অন্যান্য খবরসমূহ
কুমিল্লা এর অন্যান্য খবরসমূহ
জেলা এর অন্যান্য খবরসমূহ
পূর্বের সংবাদ