মহেশখালীতে অপহরনকারীরা আরো বেপরোয়া-এলাকার পরিস্থিতি উত্তপ্ত

অপহরনকারীদের সংবাদ গনমাধ্যমে প্রকাশের পর তারা আরো বেপরোয়া হয়ে পড়েছে এবং চিহ্নিত দালালেরা অপহরনকারীদের রক্ষা করতে থানা কোর্টে ব্যাপক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। চিহ্নিত দালাল ও অপহরনকারীদের গ্রেপ্তার পূর্বক রিমান্ড আনা হলে মহেশখালীর নানান অপকর্মের তথ্য বেরিয়ে আসবে। মহেশখালীতে ৫লক্ষ চাদাঁ না দেওয়ায় পান ব্যবসায়ীকে অপহরন করেছে অবশেষে পুলিশের মাধ্যমে সন্ত্রাসীদের বাড়ি থেকেঅপহৃত কে উদ্ধার করেছে।

 

অপহৃত পান ব্যবসায়ী  শাপলাপুর এলাকার ওবাইদুল্লাহ’র দেওয়া তথ্যমতে, সে নিয়মিত প্রায় ৬ বছর যাবৎ লম্বাঘোনা বাজারে পানের ব্যবসা করে আসছে সেই সুবাদে সন্ত্রাসীরা নিয়মিত চাদাঁ দাবী করে আসছে তা দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় ২৪ মে সকাল ১১টার সময় লম্বাঘোনা বাজার থেকে ওবাইদুল্লাহকে সন্ত্রাসীরা অপহরন করে ছোট মহেশখালী খালের উত্তরকূল এলাকা নামক স্থানে নিয়ে যাই।

 

অপহরনের সংবাদ পেয়ে মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বাবুল চন্দ্র বণিকের বিচক্ষনতায় দ্রুত থানার এসআই নির্মলের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ফোর্স পাঠিয়ে  অপহৃত ওবাইদুল্লাহকে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে রেখেছে। অপহরনকারী রা হলেন ছোট মহেশখালী  খালের উত্তরকূল এলাকার মো.আলম, নুর হোছেন, জমির হোসেন, আব্দুল মালেক।

 

জানাগেছে, মহেশখালীর শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রুপ শাপলাপুর সড়কে নিয়মিত ডাকাতি, চিংড়ীঘের দখল, চাদাঁবাজী, পাহাড় থেকে নিয়মিত কাঠ-মাটি কাটাঁ, ইয়াবা, হিরোইন পাচার, মদের ব্যবসা-জুয়ার আসর, গোয়াখালী থেকে গরু-ছাগল পাচার, এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম,বিভিন্ন জায়গায় অস্ত্র পাচার, পাহাড়ে অস্ত্র তৈরী সহ নানান অপকর্মের মুলহোতা।

 

আরো জানাগেছে, এই সন্ত্রাসী  গ্রুপের কবির হোসেন নামের একজন বিদেশ পাড়ি জমিয়েছে অপর সন্ত্রাসী নবীর হোসেন নামক লোকটি বিভিন্ন মামলার আসামী হওয়ায় জেল হাজতে রয়েছে। উপরিল্লোখিত সন্ত্রাসীদের রক্ষা করতে ছন্দবেশী একটি দালালচক্র মরিয়া হয়ে উঠেছে। সেই সব দালালদের মুখোশ খুলা হবে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত মামলার প্রক্রিয়া চলছে।

 

এ ব্যাপারে মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ বাবুল চন্দ্র বণিক জানান, এখনো পর্যন্ত আমার কাছে মামলার এজাহার পৌছেনি আসলে সন্ত্রাসীদের বিরোদ্ধে তড়িৎ গতিতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।