মহেশখালীতে করাত কলের ছোবলে পড়ে বন সর্বস্ব ও পরিবেশ বিপর্যয়ের শংঙ্কা-বনবিভাগ নীরব

মহেশখালীতে করাত কলের ছোবলে পড়ে বন সবর্স্ব-পরিবেশ বিপর্যয়ের শংঙ্কা। সুত্রে জানাযায়, মহেশখালীর ১ পৌরসভা ও ৮ ইউনিয়নে ৩ করাত কলের লাইসেন্স থাকলে ও লাইসেন্স বিহীন ২১ করাত কল। করাত কলের ছোবলে পড়ে বন সর্বস্ব হয়ে যাচ্ছে এমনকি প্রায় ৪ লক্ষ লোক বসবাসরত দ্বীপ বিলীন ও অস্থিত্বহীন হয়ে যাওয়ার প্রবল শংঙ্কা রয়েছে। বিধায় শংঙ্কামুক্ত হতে হলে শিঘ্রিই করাত কলের গ্রাস থেকে বনকে বাচাঁনো ও পাশাপাশি অবৈধ করাত উচ্ছেদ করা প্রয়োজন। সমসম্প্রতি বনবিভাগ ও প্রশাসনের যৌথ উদ্যেগে কয়েক অবৈধ স-মিল উচ্ছে করলে ও কিছু দিন যেতে না যেতেই অসাধু ব্যবসায়ীরা পুনরায় করাতকল বসিয়ে দৈনিক হাজার ঘনফুট কাঠ চিরাই করে দেশে বিদেশে রপ্তানি করছে। এমন ও দেখা গেছে করাত কলের মালিক ও কাঠ চোর চক্রের কাছ থেকে বনবিভাগের অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে গোপন আতাঁত করে ব্যবসা হরদম চালিয়ে যাচ্ছে। তাই করাতকল মালিক ও কাঠচোর চক্রের সদস্যরা এ জঘন্যতম কাজ নিধিদ্বায় চালিয়ে যাচ্ছে। অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দেখে ও না দেখার ভান করে থাকে। মহেশখালীর সচেতন মহল জানান, বন সবর্স্ব ও বিপর্যয়ের মারাতœক শংঙ্কার মুল কারন অসাধু বন কর্মকর্তা কর্মচারীরা মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে করাত কল মালিক ও কাঠচোর চক্রের সাথে গোপন আতাঁত করে যারফলে মহেশখালীর এ অবস্থা। ভোক্তভুগি মহল জানান, কোষ্টাল দ্বীপ মহেশখালী এটা শিঘ্রিই বিলীন হয়ে যাবে যদি এভাবে ক্রমান্নয়ে দুর্নীতিবাজ ও অসাধূ বন কর্মকর্তা, কর্মচারীদের সাথে গোপন আতাঁত করে বনখেকোরা প্যারবন, গাছপালা নিধন ও ভুমিদস্যূরা পাহাড় কেটেঁ পানের বরজ তৈরী, বাড়িঘর তৈরীর জন্য পাহাড় কেটেঁ বিলীন করা, এবং বৈধ্য, অবৈধ স-মিল মালিকের সাথে আতাঁত করে কাঠ চিরাই করা। এটা শিঘ্রিই স-মিল বন্ধ করে মহেশখালী দ্বীপ ও বসবাসরত জনগনকে বাচাঁতে হবে।