সেন্টমার্টিনকে মিয়ানমারের অংশ দেখানোয় প্রধানমন্ত্রীর জরুরী হস্তক্ষেপ কামন করেছেন - খবর তরঙ্গ
শিরোনাম :

সেন্টমার্টিনকে মিয়ানমারের অংশ দেখানোয় প্রধানমন্ত্রীর জরুরী হস্তক্ষেপ কামন করেছেন



মাহফুজুর রহমান মাসুম ,টেকনাফ , (খবর তরঙ্গ ডটকম)

সেন্টমার্টিনকে মিয়ানমারের অংশ হিসেবে দেখানোর ইচ্ছাকৃত প্রচেষ্টার জন্য সেন্টমার্টিনদ্বীপ ইউপি চেয়ারম্যান ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের দীর্ঘ বছরের সাবেক সভাপতি ও সেন্টমার্টিনদ্বীপ বিএন ইসলামিক হাইস্কুল এন্ড কলেজ গভর্ণিং বডির সভাপতি আলহাজ্ব নুর আহমদ তীব্র নিন্দা প্রধান করে এব্যাপাওে প্রধানমন্ত্রীর জররী হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।

৭ অক্টোবর রাতে তিনি এক বিবৃতিতে বলেন, ‘সেন্টমার্টিনদ্বীপ বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ। দ্বীপটি বাংলাদেশ ভু-খন্ডেরই একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। যা আর্ন্তজাতিকভাবে স্বীকৃত।

স্বাধীন সার্বভৌম একটি রাষ্ট্রের অবিচ্ছেদ্য অংশকে ভিন্ন দেশের অংশ দেখানো স্রেফ ভুল হতে পারেনা। এটা সম্পুর্ণ ইচ্ছাকৃত। যা স্বাধীন সার্বভৌম একটি রাষ্ট্রের জন্য হুমকি বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। এটা মিয়ানমারের সাথে হাত মিলিয়ে দেশদ্রোহী চক্রের পরিকল্পিত সুদুর প্রসারী ষড়যন্ত্র বলে আমার বিশ্বাস। ষড়যন্ত্রকারীদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দিতে আমি এব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর জররী হস্তক্ষেপ দাবি করেছি’।

 

এদিকে সেন্টমার্টিনকে মিয়ানমারের অংশ হিসেবে দেখানোর ইচ্ছাকৃত প্রচেষ্টার জন্য বাংলাদেশে নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূতকে তলব করে কড়া ভাষায় প্রতিবাদ জানিয়েছে ঢাকা। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সমুদ্র বিষয়ক ইউনিট প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল এম খুরশেদ আলম ঢাকায় নিযুক্ত মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত ইউ লুইন ওকেকে তলব করে একটি প্রতিবাদপত্র তুলে দেন। মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত বিষয়টি স্বীকার করে জানিয়েছেন, সেন্ট মার্টিনকে তাদের অঞ্চল হিসেবে দেখানো ভুল ছিল।

অপরদিকে সেন্টমার্টিন দীপপুঞ্জকে নিজেদের ভূখন্ডের অংশ দাবি করার পর প্রতিবাদের মুখে ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সরিয়ে নিয়েছে মিয়ানমার। রবিবার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির ২০তম বৈঠকে এ তথ্য জানানো হয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. শহীদুল হক এ তথ্য জানান। বৈঠকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, বাংলাদেশে নিযুক্ত মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ডেকে এ বিষয়ে জোর প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। এরপর তারা তাদের ওয়েরসাইট থেকে এটি সরিয়ে ফেলেছে।

 

উল্লেখ্য, মিয়ানমার সরকারের জনসংখ্যা বিষয়ক বিভাগের ওয়েবসাইট সম্প্রতি তাদের দেশের যে মানচিত্র প্রকাশ করেছে, তাতে সেন্টমার্টিনকে তাদের ভূখন্ডের অংশ দেখানো হয়। ওই মানচিত্রে মিয়ানমারের মূল ভূখন্ড এবং বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের অন্তর্গত সেন্টমার্টিনকে একই রঙে চিহ্নিত করা হয়। বাংলাদেশের ভূ-ভাগ চিহ্নিত করা হয় অন্য রঙে। এসময় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বলা হয়, মিয়ানমার যদি এমন আপত্তিজনক কাজ চালিয়ে যেতে থাকে তবে বাংলাদেশ উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর

কক্সবাজার এর অন্যান্য খবরসমূহ
পূর্বের সংবাদ