টেকনাফে পৃথক ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ৪ ইয়াবা ব্যবসায়ী ও ডাকাত নিহত - খবর তরঙ্গ
শিরোনাম :

টেকনাফে পৃথক ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ৪ ইয়াবা ব্যবসায়ী ও ডাকাত নিহত



নিউজ ডেস্ক, (খবর তরঙ্গ ডটকম)

কক্সবাজারের টেকনাফে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও পুলিশের পৃথক অভিযান ও বন্দুকযুদ্ধে চারজন ইয়াবা ব্যবসায়ী ও ডাকাত নিহত হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে এক লাখ ৬ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও তিনটি এলজি এবং গুলি উদ্ধার করা হয়।  বিজিবি ও পুলিশের দাবি তারা ইয়াবা ব্যবসায়ী ও ডাকাত। তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। এক মার্চ ভোর রাতে সাবরাং ও হোয়াইক্যংয়ে বিজিবি ও পুলিশের পৃথক বন্দুকযুদ্ধে এ ঘটনা ঘটে।

টেকনাফ-২ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল আছাদুদ জামান চৌধুরী জানান, ভোর রাতে সাবরাং ইউপির পুরাতন মগপাড়া কাঁকড়া প্রজেক্ট এলাকা দিয়ে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা বাংলাদেশে প্রবেশ করবে। ওই সংবাদের ভিত্তিতে নায়েক সুবেদার মোহাম্মদ শাহ আলমের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টহল দল এই এলাকায় যায়। এসময় চোরাকারবারিরা বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে  গুলি ছোড়ে। বিজিবিও  পাল্টা গুলি চালায়। পরে ইয়াবা ব্যবসায়ীরা পিছু হটলে ঘটনাস্থল থেকে দুইজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে পরে থাকতে দেখা যায়। সেইসঙ্গে  উদ্ধার করা হয় আনুমানিকেএক লাখ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট একটি দেশীয় তৈরি এলজি ও একটি খালি কার্তুজ। আহত ব্যক্তিদেরকে টেকনাফ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন। বিজিবির সিও জানান, উভয়পক্ষের আট থেকে ১০ মিনিট গুলি বিনিময় হয়। এতে মো. ইমরান হোসেন নামে এক বিজিবি সদস্য আহত হয়। তাকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। পাশাপাশি মৃত ব্যক্তিদের খুব শিগগিরই শনাক্তের চেষ্টা চলছে। অপরদিকে পুলিশ জানায়, এক মার্চ ভোররাতে টেকনাফ থানা পুলিশ জানতে পারে যে, হোয়াইক্যং নয়াপাড়া বট্টলী এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এ সংবাদে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছলেই একদল অস্ত্রধারী পুলিশের উপর গুলি বর্ষণ করে। পুলিশও আত্মরক্ষার্থে গুলি ছোড়ে।

এতে ঘটনাস্থল থেকে চৌধুরী পাড়ার আব্দুল জলিলের ছেলে ডাকাত নজির আহমদ (৩০) ও হোয়াইক্যং ইউনিয়নের নয়াপাড়ার জাকারিয়ার ছেলে গিয়াস উদ্দিন (৩৫) গুলিবিদ্ধ হয়। তিনটি এলজি, ছয় হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, নয় রাউন্ড তাজা কার্তুজ ও তেরটি গুলির খোসা উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছেন হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ এসআই দীপংঙ্কর রায়। তিনি বলেন, গুলি বিনিময়কালে টেকনাফ থানা পুলিশের তিন পুলিশ সদস্য আহত হন।গুলিবিদ্ধদের উদ্ধার করে  টেকনাফ উপজেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন। তাদের মৃতদেহ পোস্টমর্টেমের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। গিয়াস উদ্দিনের স্বজনদের দাবি তাকে বেশ কয়েকদিন আগে আটক করা হয়।


এ সম্পর্কিত আরো খবর

কক্সবাজার এর অন্যান্য খবরসমূহ