‘মনোহরগঞ্জ বার্তা’র সম্পাদক ও প্রকাশকের বিরুদ্ধে প্রতারনার মামলা

মনোহরগঞ্জ, ২৭ ডিসেম্বর (খবর তরঙ্গ ডটকম)- কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার একমাত্র মুখ্যপাত্র পত্রিকা মনোহরগঞ্জবার্তা। যাহা ডিক্লারেসান লাভ করে গত-৩০/১২/২০০৯ সালে। সর্বজন স্বীকৃত পত্রিকাটির পৃষ্ঠ পোষকতায় ও প্রকাশনার সর্বদায়িত্বে ছিলেন আলমগীর হায়দার। গত ১২/২০০৯ সালে সম্পাদক ও প্রকাশক কাইয়ুম চৌধুরী ৩০০ শত টাকার ননজুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্পে আলমগীর হায়দারের সাথে পত্রিকার চুক্তি নামায় এ পত্রিকার দায়দায়িত্ব হস্থান্তর করে। সেই সুবাদে আলমগীর হায়দার নিজের অর্থ ও সামর্থ দিয়ে নিঃস্বার্থভাবে বার্তা সম্পাদক হিসাবে পত্রিকা প্রকাশনার কাজে ও অফিস বাবত ৩,৫৫০০০ টাকা ব্যয় করে। বিভিন্ন দায় দেনা ও আর্থিক সয়ম্ভরতাসহ বিভিন্ন ঝামেলার কারণে পত্রিকাটি ১৪ টি সংখ্যা অতিবাহিত করার পর প্রায় বছর খানেক যাবত বন্ধ থাকে । কিন্তু কাইয়ুম চৌধুরী এর ফাঁকে উপজেলার লতসর গ্রামের আবুল কালাম আজাদকে ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক করে প্রকাশনার দায়িত্ব দিয়ে দেয় এ কথা শুনার পর আলমগীর হায়দার মান্দারগাঁও উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নিকট একটি স্বারক লিপি প্রদান করেন, বলাবাহুল্য কাইয়ুম চৌধুরী মান্দারগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। বিদ্যালয়ের শিক্ষক বৃন্দ স্বারক লিপিটি পড়ে আত্যান্ত মর্মাহত হন। বিষয়টি সমাধার জন্য বিদ্যালয়ের সুনামধন্য শিক্ষক দীলিপবাবু বহু চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। আলমগীর হায়দার একজন উকিল দিয়ে ৫/৯/ ও ২৪/৯ দু’টি লিগ্যাল নোটিশ প্রদান করেন। নোটিশের কোন সদ- উত্তর না পেয়ে আলমগীর হায়দার ঢাকা চলে যান। কিন্তু ঢাকা চলে যাওয়াতে স্কুলের শিক্ষক দীলিপ বাবুর মাধ্যমে আলমগীর হায়দারকে ফোন করান তুমি চলে এসো তোমার পত্রিকা তুমি নিয়ে নাও মামলা করার দরকার নেই। আলমগীর হায়দার তাদের কথামত চলে আসেন ৪/৫দিন অতিবাহিত হওয়ার পরও বিষয়টি সামাধা না হওয়ার কারণে দীলিপ বাবুকে ফোন দেন দীলিপ বাবু অপারগতা প্রকাশ করলেন। তিনি বলেন কাইয়ুম চৌধুরী অমনুষ্যত্বের কাজ করলো আমাকে বলাতে আমি ফোন করেছি এখন তিনি অস্বীকার করলেন। কাইয়ুম চৌধুরী আবুল কালাম আজাদের সহচর হয়ে প্রফাগান্ডা গাইতে শুরু করলো পত্রিকার যুক্তি নামা অস্বীকার করলো। অবশেষে আলমগীর হায়দার ঢাকা সি এম এম আদালতে কাইয়ুম চৌধুরী কে ১নং বাদী ২নং বাদী আবুল কালাম আজাদ কে করে গত ১০অক্টোবর ১২, সি , আর, মামলা দায়ের করেন যাহার নং-৭৮৮/১২ ধারা-৪০৬/৪২০/৫০৬ দঃ বিঃ। এবং কুমিল্লা জজকোর্টে দেওয়ানী মামলা দায়ের করেন যাহার নং-১২৪/১২। গত ১১/১০/২০১২ তারিখে বিজ্ঞজজ ১৫ দিনের শোক্লজ নোটিশ প্রদান করেন যাহা আবুল কালাম আজাদ গ্রহণ করেন নাই। ৩৯ নিয়ম এর বিধান মতে পত্রিকার অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দাবী করলে বিজ্ঞজজ মুল মামলার ১৮/১১তারিখ ধার্য্য করেন। বর্তমানে মামলা অব্যাহত আছে। এ ব্যাপারে আলমগীর হায়দারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন-আমার শেষ রক্তবৃন্দ দিয়ে হলেও আমি বেঈমান বিশ্বাসঘাতক কাইয়ুম চৌধুরীর মোকাবেলা করে দাঁত ভাঙা জবাব দিব। কাইয়ুম চৌধুরী ও আবুল কালাম আজাদের মুঠোফোনে চেষ্টা করে তাদের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভাব হয়নি। কুমিল্লার নবগঠিত মেঘনা উপজেলার সহকারী কৃষি অফিসার আবুল কালাম আজাদ। নঈম আজাদ নাম দিয়ে পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হয়ে আজাদ পত্রিকা প্রকাশনা শুরু করে। সরকারি উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের চোখকে ফাঁকি দিয়ে নিজ কর্মস্থলে না গিয়ে পত্রিকা কিভাবে প্রকাশ করে আবুল কালাম আজাদ অরফে নঈম আজাদ তা আমাদের বুঝে আসে না। বিষয়টি কর্তৃপক্ষ সু- নজরে দেখার আগ্রহ প্রকাশ করছেন মনোহরগঞ্জ উপজেলার জনসাধারণ।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।