মাওয়া-কাওড়াকান্দি রুটে ফেরি চলাচল বন্ধ

মুন্সীগঞ্জ, ২৯ ডিসেম্বর (খবর তরঙ্গ ডটকম)- কুয়াশার কারণে গত কয়েকদিনের মতো শুক্রবার রাতেও মাওয়া-কাওড়াকান্দি এবং পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া রুটে ফেরি চলাচল কয়েক ঘণ্টা বন্ধ ছিল। মাওয়ায় শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টায় ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।এই সময় মাঝনদীতে আটকা পড়েন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক। কুয়াশা কাটার পর ভোর ৪টা থেকে ফেরি চলাচল পুনরায় শুরু হয়েছে বলে বিআইডব্লিওটিসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। ভোরে ফেরি চলাচল শুরু হলেও দীর্ঘ সময় পারাপার বন্ধ থাকায় মাওয়া ও কাওড়াকান্দি উভয় ঘাটে যানজট সৃষ্টি হয়েছে। মাওয়া প্রান্তেই আটকে ছিল পাঁচশ গাড়ি।

তালুকদার খালেক খুলনা থেকে ঢাকা যাওয়ার পথে কাওড়াকান্দি থেকে এমভি ফরিদপুর ফেরিতে চেপেছিলেন। কিন্তু কুয়াশার কারণে ফেরিটি মাঝনদীতে আটকে পড়ে।

ফরিদপুর ফেরির দায়িত্বরত কর্মকর্তা আব্দুল আজিজ বলেন, “মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেককে বহনকারী ভিআইপি ফেরিটি পদ্মার মধ্যে হাজরা চ্যানেলে আটকা পড়ে। কুয়াশা কমে যাওয়ার পর সাড়ে ৪টায় ফেরিটি তীরে পৌঁছায়।”

যানবাহন নিয়ে মাঝ পদ্মায় মোট ছয়টি ফেরি আটকে পড়েছিল। ফরিদপুর ছাড়া অন্যগুলো হল- যশোর, রুহুল আমিন, রাণীক্ষেত, থোবাল ও রায়পুরা। ভোরে সবগুলো গন্তব্যে পৌঁছে বলে বিআইডব্লিউটিসির মাওয়া কার্যালয়ের ব্যবস্থাপক সিরাজুল হক জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ঘন কুয়াশায় নৌ-যান চলাচলের নির্দেশক বাতি ও মার্কিং পয়েন্ট দেখতে না পারায় চালকরা ফেরি নদীর মধ্যে নোঙর করে রাখতে বাধ্য হন। এরপর অন্য ফেরি চলাচলও বন্ধ করে দেয়া হয়।

পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া পথে পারাপার বন্ধ হয়ে যায় রাত ২টায়। সকাল ৮টায় তা পুনরায় শুরু হয় বলে বিআইডব্লিউটিসির আরিচা কার্যালয়ের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) আশরাফ উল্লাহ খান জানিয়েছেন।

তিনি  জানান, পারাপার বন্ধের সময় কেরামত আলী, বীরশ্রেষ্ট মতিউর রহমান, আমানত শাহ, কুমারী ও কপোতী ফেরিগুলো যানবাহন নিয়ে মাঝনদীতে আটকা পড়ে।

কুয়াশা কেটে গেলে ফেরি চলাচল শুরু হলেও দৌলতদিয়া ঘাট ছেড়ে সহস্রাধিক গাড়ি এবং পাটুরিয়া ঘাটে তিন শতাধিক গাড়ি সকালে পারের অপেক্ষায় ছিল।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।