টেকনাফের হরিখোলায় চলছে উলঙ্গ নাচ-গান

টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের হরিখোলা চাকমা পল্লীতে অবাধে চলছে উলঙ্গ নাচ-গান ও মদ-জুয়া। গত এক সপ্তাহ ধরে এসব চলে আসলেও প্রশাসন রহস্যজনক নিশ্চুপ রয়েছে। চাক্ষুষ মেলা দেখে এসেছেন এমন কয়েকজন যুবক জানায়, বৌদ্ধ মেলার নামে চলমান এই মেলায় রাত-দিন অত্যন্ত বেপরোয়া ভাবে চলছে মদ-গাঁজা ও জুয়ার আসর এবং রাতভর চলে উলঙ্গ অশ্লীল নাচ-গান। হোয়াইক্যং ও বাহারছড়া এই দুই ইউনিয়নের মধ্যবর্তী চাকমা অধ্যুষিত পাহাড়ি জনপদ হচ্ছে হরিখোলা। সেখানে মুসলিম জনবসতি নেই। হরিখোলায় ১টি প্রাইমারী স্কুল ও ১টি মন্দির রয়েছে। প্রতিদিন সন্ধ্যা হলে হাজার হাজার মানুষের ঢল নামে। টিকেটের দাম মাত্র ১৫০ টাকা ও ২০০ টাকা। টিকেটের দাম কম হওয়ায় জনসমাগম হয় খুব বেশী। উলঙ্গ নাচ-গান নিয়ে ইতিমধ্যেই কয়েক দফা মারামারিও হয়েছে বলে জানা গেছে । আইন শৃংখলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে। সেই সাথে জনসমাগম বেশী হওয়ায় পাহাড়ি চোলাই মদের বেচা-কেনাও কয়েক গুন বৃদ্ধি পেয়েছে। চুরি-ছিনতাই বেড়ে গিয়েছে। বাহারছড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের নব-নির্বাচিত সভাপতি আলহাজ্ব মাওঃ আজিজ উদ্দীন জানান, গত ১ সপ্তাহ ধরে হরিখোলায় অবাধে অশ্লীল উলঙ্গ নাচ-গান চলছে। যা অত্যন্ত দুঃখজনক। ৯ফেব্রুয়ারী বিকালে এব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির আইসি বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী বলেন- অশ্লীল নাচ-গানের বিষয়ে আমি জানিনা, সেখানে আমি যাইনি। টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সামসুল ইসলাম মেহেদী বলেন, এবিষয়ে আমি অবহিত নই, দ্রুত ব্যবস্থা নেব। জানা গেছে, চাকমা সম্প্রদায়ের বাবুল নামে এক যুবক এই বৌদ্ধ মেলার আয়োজন করেছেন। কিন্তু মেলায় বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের ইতিহাস-ঐতিহ্য, কালচার ইত্যাদি কিছুই নেই। আছে শুধু বেহায়াপনা। যা বিশেষতঃ উঠতি যুব সমাজকে ধ্বংস করছে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।