টেকনাফে পুলিশ পরিচয়ে ডাকাতির ঘটনায় আটক-১

টেকনাফে দিবাগত গভীর রাতে দূধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। একই রাতে ৩ বাড়ীতে ডাকাতি সংঘঠিত করেছে এবং ২ বাড়ীতে ডাকাতির চেষ্টা স্থানীয় গ্রামবাসী প্রতিহত করে। রোহিঙ্গা শিবির হতে স্থানীয় জনতা দেশীয় তৈরী একটি কাটা বন্দুকসহ আব্দু রশিদ(৩৫) নামক এক রোহিঙ্গা ডাকাতকে আটক করে পুলিশে দেয়। আটক ডাকাত নয়াপাড়া শরনার্থী ক্যাম্পের এইচ ব্লকের ১ নং রুমের ১৮৮৩৮ নং এমআরসির মৃত কাদের হোসনের পুত্র।
জানাযায়, ১১ ফেব্র“য়ারী সোমবার দিবাগত গভীর রাতে ২০/২৫ জনের সংঘবদ্ধ একটি ডাকাতদল হ্নীলা দমদমিয়া এলাকার মোঃ কালু সওদাগরের বাড়ীতে হানা দিলে তাদের চিৎকারে স্থানীয় জনতা ও বিজিবি প্রতিরোধ গড়ে তুলে। ঐসময়ে একই এলাকার মোঃ আয়ুবের বাড়ীতে হানা দিয়ে টাকা ও স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেয়। সেখানেও জনতার প্রতিরোধে ডাকাতদল পাহাড়ের দিকে পালিয়ে যায়। ডাকাতদল প্রথম দফা ব্যর্থ হয়ে চলে যাওয়ার পথে হ্নীলা জাদীমুরা এলাকার জামাল হোসাইন, মোহাম্মদ উল্লাহ ও নূর মোহাম্মদের বাড়ীতে পুলিশ পরিচয়ে বাড়ীতে ঢুকে লোকজনকে নির্যাতন চালিয়ে ৫ লাধিক নগদ টাকা, স্বর্ণালংকা ও মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে ফেলে। এ সময় পাশ্বের বাড়ীতে ডাকাতির খবরে এলাকার লোকজন ডাকাত বলে চিৎকার দিয়ে এগিয়ে আসলে ডাকাতরা দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলি বর্ষণ করে পালিয়ে যায়। পরে তাৎনিক ডাকাতের সংবাদ স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ আলীকে জানালে, সে নয়াপাড়া শরনার্থী ক্যাম্প পুলিশকে অবগত করে। পরে পুলিশসহ স্থানীয় জনগন নয়াপাড়া শরনার্থী ক্যাম্পের চারপার্শে অবস্থান নিলে ভোরে ডাকাতির ভাগবাটোয়ারা শেষে ক্যাম্পে ফেরার পথে আব্দু রশিদ নামক এক রোহিঙ্গা ডাকাতকে একটি দেশীয় অস্ত্রসহ জনতা আটক করে। পরে টেকনাফ মডেল থানা পুলিশের এসআই আনোয়ার আটক ডাকাত আব্দু রশিদকে থানায় নিয়ে আসে।
এদিকে আটক ডাকাতসহ অন্যান্যদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করা হচেছ বলে জানায় অফিসার ইনর্চাজ মোঃ ফরহাদ। আটক ডাকাত আব্দু রশিদ নয়াপাড়া শরনার্থী ক্যাম্পের চিহ্নিত একজন তালিকাভূক্ত ডাকাত। সেখানে তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে ডাকাতিসহ নানা অপকর্মের তথ্য বেরিয়ে আসবে বলে ধারণা করছে এলাকাবাসী।
এদিকে রোহিঙ্গাদের নিয়ে বর্তমানে টেকনাফে চুরি, ডাকাতি, খুনসহ নানা অপরাধের সাথে জড়িয়ে পড়ছে এবং সমস্যা প্রকট আকার ধারন করছে। এদের বিরুদ্ধে এখন থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া না হলে অদূর ভবির্ষ্যতে রোহিঙ্গারা আরো বেপরোয়া হয়ে উঠবে বলে মনে করেন সচেতন মহল।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।