চৌদ্দগ্রামে দুদক’র পরিচালক সেজে প্রতারণার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে আটক

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে দুদক’র পরিচালক সেজে প্রতারণার অভিযোগে শহিদুল হক নামের এক ব্যক্তিকে আটক শেষে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা। মঙ্গলবার দুপুরে মিয়াবাজারস্থ টাইমস্ স্কয়ার হোটেল থেকে তাকে আটক করা হয়।

স্থানীয়রা জানায়, শহিদুল হক নিজেকে দুদক’র ঢাকার সেগুন বাগিচাস্থ অফিসের সহকারী পরিচালক পরিচয় দিয়ে শফিক সাহেদ নামে গত ২৫ ফেব্রুয়ারী সোমবার স্থানীয় টাইম স্কয়ার হোটেলের একটি কক্ষ ভাড়া করে। তার চলাফেরা এবং গতিবিধি সন্দেহজনক হলে হোটেল মালিক ও স্থানীয় জনগণ চ্যালেঞ্জ করলে নিজেকে দুদক কর্মকর্তা হিসেবে প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়। প্রতারণার অভিযোগে তাকে আটক করে চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশে সোপর্দ করেন। শহিদুল হক নোয়াখালীর সোনাইমুড়ি উপজেলার বরপটি গ্রামের মজিবুল হকের ছেলে।

এদিকে সোনালী ব্যাংক কুমিল্লার কর্পোরেট শাখার ডিজিএম শওকত আলীর টেলিফোন নির্দেশে সোনালী ব্যাংক স্থানীয় নোয়াবাজার শাখার ম্যানাজার জসিম উদ্দিন পাটোয়ারী দুদক’র একজন কর্মকর্তা ওই হোটেলে আছে মর্মে খোঁজ-খবর নিতে ওই হোটেলে যায়। এ সময় জনগণ তাকেও আটক করে। খবর পেয়ে চৌদ্দগ্রাম থানার এএসআই শাহিনের নেতৃত্বে  পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে ভূয়া দুদক কর্মকর্তা শহিদুল হক ও ম্যানাজার জসিম উদ্দিনকে থানায় নিয়ে আসে। এ বিষয়ে পুলিশ দুদক’র উচ্চ পর্যায়ে খোঁজ খবর নিয়ে শহিদুল হকের পরিচয় প্রাথমিকভাবে ভূয়া প্রমাণিত হওয়ায় শহিদুল হককে গ্রেফতার করে। চৌদ্দগ্রাম থানার এএসআই শাহিন বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় ব্যাংক ম্যানেজার জসিমকে স্বাক্ষী করে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়।

এ বিষয়ে ব্যাংক ম্যানাজার জসিম উদ্দিন পাটোয়ারী  জানান, রিয়াজুল ইসলাম নামের দুদক’র একজন কর্মকর্তা ওই হোটেলে অবস্থান করছে মর্মে ডিজিএম শওকত আলীর এমন টেলিফোন নির্দেশে খোজ-খবর নিতে আমি ওই হোটেলে যাই। প্রকৃতপক্ষে আটক ভূয়া দুদক কর্মকর্তা শহিদুল হকের সাথে আমার কোন জানা-শুনা নেই।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।